২৯/১০. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৬৬ - অসুস্থ বা উন্মাদ স্বামীর ক্ষেত্রে স্ত্রীর ইখতিয়ার
আযাদীর ইখতিয়ার অর্থাৎ স্ত্রী কর্তৃক তালাকের অধিকার প্রাপ্তির পর নিজের অধিকার প্রয়োগ সম্পর্কিত
স্বামীর উন্মাদনা বা ক্ষতি থাকলে স্ত্রীর ইখতিয়ার
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৬৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৬৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ قَالَ أَيُّمَا رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةً وَبِهِ جُنُونٌ أَوْ ضَرَرٌ فَإِنَّهَا تُخَيَّرُ فَإِنْ شَاءَتْ قَرَّتْ وَإِنْ شَاءَتْ فَارَقَت.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন : এমন কোন পুরুষ যে উন্মাদ বা রুগ্ন সে যদি কোন মহিলাকে বিবাহ করে, তবে সেই মহিলাকে অধিকার দেয়া হবে। যদি সে ইচ্ছা করে তা হলে সেই স্বামীর সঙ্গে অবস্থান করবে, আর যদি ইচ্ছা করে বিচ্ছেদ ঘটাবে।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র)-এর একটি বক্তব্য এসেছে। তিনি বলেন, কোনো পুরুষ যদি এমন অবস্থায় বিবাহ করে যে তার মধ্যে উন্মাদনা বা ক্ষতি করার মতো সমস্যা থাকে, তাহলে স্ত্রীকে ইখতিয়ার দেওয়া হবে। সে চাইলে স্বামীর সঙ্গে থাকবে, আর চাইলে বিচ্ছেদ ঘটাবে। এখানে মূল বিষয় হলো দাম্পত্য জীবনে নারীর নিরাপত্তা ও স্বস্তির অধিকার। বর্ণনায় কোনো বড় আলোচনা নেই; বরং খুব সহজভাবে বলা হয়েছে, স্বামীর এমন অবস্থা থাকলে স্ত্রীর সামনে দুই পথ থাকবে—থাকা বা আলাদা হওয়া। এই হাদিস দাম্পত্য ইখতিয়ার, ক্ষতি থেকে বাঁচা এবং বিবাহের দায়িত্ব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্বামীর উন্মাদনা বা ক্ষতির অবস্থায় স্ত্রীকে ইখতিয়ার দেওয়ার কথা এসেছে।
- স্ত্রী চাইলে বিবাহে থাকতে পারে, চাইলে বিচ্ছেদ বেছে নিতে পারে।
- দাম্পত্য জীবনে ক্ষতি ও কষ্টের বিষয়কে অবহেলা করা হয়নি।
- বিবাহ শুধু সম্পর্ক নয়, এতে নিরাপত্তা ও দায়িত্বও জড়িত।
