২৯/১০. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৬৭ - সহবাসের আগে আযাদ হলে মোহরের বিধান
আযাদীর ইখতিয়ার অর্থাৎ স্ত্রী কর্তৃক তালাকের অধিকার প্রাপ্তির পর নিজের অধিকার প্রয়োগ সম্পর্কিত
সহবাসের আগে আযাদ ক্রীতদাসীর ইখতিয়ার ও মোহর
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৬৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৬৭
قَالَ مَالِك فِي الْأَمَةِ تَكُونُ تَحْتَ الْعَبْدِ ثُمَّ تَعْتِقُ قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا أَوْ يَمَسَّهَا إِنَّهَا إِنْ اخْتَارَتْ نَفْسَهَا فَلَا صَدَاقَ لَهَا وَهِيَ تَطْلِيقَةٌ وَذَلِكَ الْأَمْرُ عِنْدَنَا ْ.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে ক্রীতদাসী কোন ক্রীতদাসের অধীনে থাকা অবস্থায় তার সঙ্গে সঙ্গম বা তাকে স্পর্শ করার পূর্বে স্বাধীন হয়ে যায় এবং নিজের স্বাধীন অধিকার নিজে গ্রহণ করে নেয় তবে সে মোহর পাবে না। আর ইহা এক তালাক বলে গণ্য হবে। মাসয়ালা আমাদের নিকটও তাই।
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, কোনো ক্রীতদাসী যদি ক্রীতদাসের স্ত্রী থাকে, তারপর স্বামী তার সঙ্গে সহবাস বা স্পর্শ করার আগে সে আযাদ হয় এবং নিজের স্বাধীন অধিকার নিজে গ্রহণ করে, তাহলে সে মোহর পাবে না। এই অবস্থাকে এক তালাক বলে গণ্য করা হবে। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এতে তিনটি বিষয় স্পষ্ট: আযাদীর পর নারীর ইখতিয়ার, সহবাসের আগে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফল, এবং মোহরের বিধান। এখানে শিক্ষা হলো, দাম্পত্য চুক্তির ফলাফল অবস্থাভেদে বদলাতে পারে। বিশেষ করে সহবাসের আগে বা পরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্যে পার্থক্য রাখা হয়েছে। তাই আযাদীর পর ইখতিয়ার ও মোহর বিষয়টি বুঝে চলা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সহবাসের আগে আযাদ হয়ে নিজেকে বেছে নিলে মোহর না পাওয়ার কথা এসেছে।
- এই সিদ্ধান্তকে এক তালাক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
- দাম্পত্য অধিকারে সহবাসের আগে ও পরে আলাদা বিধান থাকতে পারে।
- ইখতিয়ার ব্যবহারের ফল বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।
