২৯/২১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৯৫ - তৃতীয় ঋতু ও রুজূর শেষ সীমা
তালাকের ইদ্দতে উল্লিখিত ‘আকরা’ [১] এবং ঋতুমতী স্ত্রীলোকের তালাকের বর্ণনা
[১] قرء-এর বহু বচন اقراء এটি হারয এবং তুহর উভয় অর্থে ব্যবহার হয়।
তৃতীয় ঋতুস্রাব: রুজূ ও মীরাসের শেষ সীমা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৯৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৯৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ وَسَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ وَأَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَسُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ وَابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُمْ كَانُوا يَقُولُونَ إِذَا دَخَلَتْ الْمُطَلَّقَةُ فِي الدَّمِ مِنْ الْحَيْضَةِ الثَّالِثَةِ فَقَدْ بَانَتْ مِنْ زَوْجِهَا وَلَا مِيرَاثَ بَيْنَهُمَا وَلَا رَجْعَةَ لَهُ عَلَيْهَا.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ, আবূ বাক্র ইবনু আবদির রহমান, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার ও ইবনু শিহাব (রহঃ) তাঁরা সকলে বলতেন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকে তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে সে স্বামী হতে পৃথক হয়ে যাবে। তাদের মধ্যে মীরাস চলবে না, আর স্বামীর জন্য স্ত্রীর দিকে রুজূ’ করা চলবে না।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় তৃতীয় ঋতুস্রাব, রুজূ ও মীরাস। ইমাম মালিক (র)-এর কাছে বর্ণনা পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, সালিম ইবনু আবদুল্লাহ, আবূ বাক্র ইবনু আবদির রহমান, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার ও ইবনু শিহাব—তাঁরা সবাই বলতেন, তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে সে স্বামী থেকে পৃথক হয়ে যাবে। এরপর তাদের মধ্যে মীরাস চলবে না এবং স্বামীর জন্য স্ত্রীর দিকে রুজূ করা চলবে না। এই বর্ণনাটি একাধিক ফকীহের বক্তব্য হিসেবে এসেছে। তাই ইদ্দত শেষ হওয়ার সময়, রুজূর সুযোগ এবং মীরাসের হক—এই তিনটি বিষয় এখানে একসঙ্গে স্পষ্ট হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে স্ত্রী স্বামী থেকে পৃথক হয়—এ কথা বলা হয়েছে।
- এই অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মীরাস চলবে না বলা হয়েছে।
- তৃতীয় ঋতুর পর রুজূর সুযোগ থাকে না বলে বর্ণনায় এসেছে।
- একাধিক ফকীহের মত একই বিষয়ে গুরুত্ব বহন করে।
