২৯/২২. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২০২ - বায়েন তালাকের পর ঘর ত্যাগের প্রশ্ন
যেই গৃহে স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয় সে গৃহে ইদ্দত পালন করা
বায়েন তালাকের পর ইদ্দত ও ঘর ত্যাগের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১২০২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২০২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ بِنْتَ سَعِيدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ كَانَتْ تَحْتَ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ فَطَلَّقَهَا الْبَتَّةَ فَانْتَقَلَتْ فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عَلَيْهَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফাইল (রাঃ)-এর কন্যা ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর ইবনু উসমান ইবনু আফফান (রহঃ)-এর বিবাহ দিলেন। তিনি স্ত্রীকে তালাকে আল-বাত্তা প্রদান করলে সে (স্বামীর গৃহ হতে) সরে যায়। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমর (রাঃ) উহার প্রতি সমর্থন জানালেন না।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২০২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় সাঈদ ইবনু যায়দের কন্যার ঘটনা এসেছে। তাঁকে তাঁর স্বামী তালাকে আল-বাত্তা বা বায়েন তালাক দেন। এরপর তিনি স্বামীর ঘর থেকে সরে যান। কিন্তু আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) তাঁর এই চলে যাওয়াকে সমর্থন করেননি। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তবে এর বিষয়টি স্পষ্ট: তালাকের পর ইদ্দতের সময় স্ত্রী কোথায় থাকবে, তা হালকা বিষয় নয়। নিজের ইচ্ছা, পারিবারিক চাপ বা সামাজিক অভ্যাস দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বায়েন তালাকের বিধান বুঝতে হলে ইদ্দত, থাকার জায়গা এবং শরিয়তের সীমা—সব দিক দেখতে হয়। এখানে ইবনু উমার (রা)-এর আপত্তি দেখায় যে, তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর ঘর ত্যাগের বিষয়টি সহজভাবে অনুমোদিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তালাকের পর ইদ্দতের সময় থাকার নিয়ম গুরুত্বের সঙ্গে মানতে হয়।
- বায়েন তালাক হলেও ইদ্দত শেষ হওয়ার আগে ঘর ছাড়ার বিষয়ে সতর্কতা দরকার।
- সাহাবিদের আপত্তি দেখায়, তালাকের বিষয়ে নিজের ইচ্ছামতো চলা ঠিক নয়।
- পারিবারিক বিষয়ে শরিয়তের সীমা জানা ও মানা জরুরি।
