৩১/৭. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৭৩ - তা’বীর করা খেজুরগাছ বিক্রয়ের বিধান
খেজুর বৃক্ষের ফল, যার মূল্য বিক্রয় করা হয়েছে
খেজুরগাছ বিক্রয়: তা’বীর করা ফল কার হবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১২৭৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২৭৩
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ بَاعَ نَخْلًا قَدْ أُبِّرَتْ فَثَمَرُهَا لِلْبَائِعِ إِلَّا أَنْ يَشْتَرِطَ الْمُبْتَاعُ.
আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তা’বীর [১] করা খেজুরের গাছ বিক্রয় করেছে, উহার ফল বিক্রেতা পাইবে, কিন্তু ক্রেতা যদি শর্ত করে থাকে (তবে ফল ক্রেতার জন্য হবে)।
[১] নরখেজুর গাছের মজ্জা মাদী খেজুর গাছ চিরে তাতে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। এইরূপ করাতে গাছে ভাল ও বেশি খেজুর উৎপন্ন হয়। আরবে এইরূপ করার প্রথা ছিল। এতে “তাবিরে নখল” অর্থাৎ খেজুর বৃক্ষে জোড়া লাগান বলা হয়। -আওজায (বুখারী ২২০৩, ২২০৪, মুসলিম ১৫৪৩)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খেজুরগাছ বিক্রয়ের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম এসেছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি তা’বীর করা খেজুরগাছ বিক্রি করে, তার ফল বিক্রেতার হবে; তবে ক্রেতা যদি শর্ত করে, তাহলে ফল ক্রেতার জন্য হবে। এখানে বিক্রয়ের বিষয়টি খুব স্পষ্ট: গাছ বিক্রি আর গাছের ফলের অধিকার সবসময় একই হবে না। বিশেষ করে ফল যদি তা’বীর করা হয়ে থাকে, তাহলে শর্ত না থাকলে ফল বিক্রেতার থাকে। কিন্তু শর্ত করা হলে সে অনুযায়ী অধিকার বদলাতে পারে। হাদিসটি কেনাবেচায় শর্তের গুরুত্ব, ফলের মালিকানা এবং বিরোধ এড়ানোর সুন্দর শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গাছ বিক্রি হলেও ফলের অধিকার আলাদা হতে পারে।
- ক্রেতা শর্ত করলে ফলের অধিকার তার জন্য হতে পারে।
- বিক্রয়ের সময় শর্ত পরিষ্কার করলে বিরোধ কমে।
