৩১/৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৭২ - স্বামী থাকা দাসী ফেরত দেওয়া
যে ক্রীতদাসীর স্বামী রয়েছে সে ক্রীতদাসীর সাথে অন্য লোকের সঙ্গম নিষিদ্ধ হওয়া
স্বামী থাকা দাসী কেনা: জানার পর ফেরত দেওয়ার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১২৭২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২৭২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ ابْتَاعَ وَلِيدَةً فَوَجَدَهَا ذَاتَ زَوْجٍ فَرَدَّهَا.
বর্ণণাকারী হতে বর্ণিতঃ
আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) জনৈক ক্রীতদাসীকে খরিদ করলেন, পরে জানা গেল যে, তার স্বামী রয়েছে। তাই তিনি উহাকে ফেরত দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় আবদুর রহমান ইবন আওফ (রা)-এর একটি ঘটনা এসেছে। তিনি একজন দাসী ক্রয় করেন। পরে জানতে পারেন, দাসীটির স্বামী রয়েছে। তখন তিনি দাসীটিকে ফেরত দেন। হাদিসটি ছোট হলেও এতে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা আছে। কেনাবেচার সময় কোনো বড় বিষয় জানা না থাকলে পরে তা প্রকাশ পেলে সিদ্ধান্ত বদলানো হতে পারে। এখানে বিশেষভাবে দাসীর বৈবাহিক অবস্থা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়েছে। স্বামী থাকা অবস্থায় তার ওপর পূর্ণ ব্যবহারিক অধিকার পাওয়া যায় না—এ কথার সঙ্গে পূর্বের বর্ণনাগুলোর মিল আছে। তাই এই হাদিস ক্রেতার সতর্কতা, বিক্রয়ের তথ্য পরিষ্কার করা এবং সম্পর্কের অধিকার সম্মান করার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাসী ক্রয়ের সময় তার বৈবাহিক অবস্থা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
- গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরে জানা গেলে ফেরত দেওয়ার পথ থাকতে পারে।
- স্বামীর অধিকারকে উপেক্ষা করা হয়নি।
