৩১/৪৫. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩৬৭ - ভাড়া নেওয়া জন্তু আবার ভাড়া দেওয়া
ক্রয়-বিক্রয়ের বিভিন্ন বিধান
ভাড়া নেওয়া জিনিস আবার ভাড়া দেওয়া: লেনদেনে অনুমতির সীমা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩৬৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৩৬৭
و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ سَأَلَهُ عَنْ الرَّجُلِ يَتَكَارَى الدَّابَّةَ ثُمَّ يُكْرِيهَا بِأَكْثَرَ مِمَّا تَكَارَاهَا بِهِ فَقَالَ لَا بَأْسَ بِذَلِكَ.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, যে একটি জন্তু ভাড়ায় নিয়ে উহা আবার অধিক ভাড়ায় অন্যকে দিয়ে দেয়। তিনি বললেন, উহাতে কোন ক্ষতি নেই।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইবন শিহাব রাহিমাহুল্লাহকে এমন এক ব্যক্তির বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, যে একটি জন্তু ভাড়ায় নেয়, তারপর সেটি আবার বেশি ভাড়ায় অন্যকে দেয়। তিনি উত্তর দিলেন, এতে কোনো ক্ষতি নেই। এই বর্ণনার ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এখান থেকে অতিরিক্ত শর্ত বা দীর্ঘ ফিকহি আলোচনা টানা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, ভাড়া নেওয়া সম্পদকে আবার ভাড়ায় দেওয়ার একটি রূপ তিনি বৈধ বলেছেন। তবে হাদিসের সরাসরি বক্তব্যের বাইরে গিয়ে মালিকানা, ক্ষতি, অনুমতি বা চুক্তির অন্য শর্ত এখানে আলাদা করে বলা হয়নি। তাই এই বিষয়টি বুঝতে হলে মূল কথাটি হলো: ভাড়া ও পুনরায় ভাড়ার লেনদেনে স্পষ্টতা থাকা দরকার, আর এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে উত্তর ছিল—কোনো অসুবিধা নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভাড়া নেওয়া জন্তু আবার ভাড়ায় দেওয়ার বিষয়ে এই বর্ণনায় ছাড় দেওয়া হয়েছে।
- লেনদেনে প্রশ্ন থাকলে জ্ঞানী ব্যক্তির কাছে জিজ্ঞেস করা উচিত।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
- ভাড়া লেনদেনে স্পষ্ট চুক্তি থাকা নিরাপদ।
