৪১/৮. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫৩১ - পলাতক দাসের চুরি ও বিচার
পলাতক দাস ও চোরের হাত কাটা সম্পর্কিত মাস‘আলা
পলাতক দাসের চুরি: ইব্নু উমার (রা)-এর বিচারিক অবস্থান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫৩১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫৩১
حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدًا لِعَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَسَرَقَ وَهُوَ آبِقٌ فَأَرْسَلَ بِهِ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ إِلَى سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ وَهُوَ أَمِيرُ الْمَدِينَةِ لِيَقْطَعَ يَدَهُ فَأَبَى سَعِيدٌ أَنْ يَقْطَعَ يَدَهُ وَقَالَ لَا تُقْطَعُ يَدُ الْآبِقِ السَّارِقِ إِذَا سَرَقَ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ فِي أَيِّ كِتَابِ اللهِ وَجَدْتَ هَذَا ثُمَّ أَمَرَ بِهِ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ فَقُطِعَتْ يَدُهُ
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইবনু উমর (রাঃ)-এর একটি দাস পালিয়ে গেল, সে চুরি করেছিল। ইব্নু উমর (রাঃ) তাকে মদীনার গভর্নর সাঈদ ইব্নু আসের নিকট হাত কর্তনের জন্য পাঠিয়ে দিলেন। সাঈদ এটা মানলেন না। তিনি বললেন, চুরি করে পালিয়ে গেলে পলাতক দাসের হাত কর্তন করা হবে না। ইব্নু উমর (রাঃ) বললেন, তুমি আল্লাহর কোন কিতাবে ইহা পেয়েছ? অতঃপর ইব্নু উমরের আদেশে তার হাত কাটা হল।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পলাতক দাসের চুরির বিধান নিয়ে আলোচনা এসেছে। ইব্নু উমার (রা)-এর এক দাস পালিয়ে যায় এবং চুরি করে। তিনি তাকে মদীনার গভর্নর সাঈদ ইব্নু আসের কাছে হাত কর্তনের জন্য পাঠান। সাঈদ এ শাস্তি দিতে চাননি এবং বলেন, পলাতক দাস চুরি করলে তার হাত কাটা হবে না। তখন ইব্নু উমার (রা) প্রশ্ন করেন, আল্লাহর কোন কিতাবে তিনি এ কথা পেয়েছেন? পরে ইব্নু উমার (রা)-এর আদেশে তার হাত কাটা হয়। হাদিসটি দেখায়, দাস পলাতক হওয়া চুরির শাস্তি থেকে আলাদা ছাড় হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি। বিচারিক সিদ্ধান্তে দলিলের দাবি এখানে স্পষ্ট।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পলাতক হওয়া চুরির অপরাধকে হালকা করার কারণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি।
- বিচারিক দাবি করলে দলিলের ভিত্তি জানতে চাওয়া হয়েছে।
- ইব্নু উমার (রা) আল্লাহর কিতাবের দলিলকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
- চুরি দাস বা স্বাধীন—উভয়ের ক্ষেত্রেই গুরুতর অপরাধ হিসেবে এসেছে।
