৯/২. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩২৬ - সফরে মাগরিব বিলম্বে আদায়
সফরে নামায ‘কসর’ আদায় করা
সফরে মাগরিব নামাজ বিলম্বে পড়ার বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩২৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩২৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ لِسَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ مَا أَشَدَّ مَا رَأَيْتَ أَبَاكَ أَخَّرَ الْمَغْرِبَ فِي السَّفَرِ فَقَالَ سَالِمٌ غَرَبَتْ الشَّمْسُ وَنَحْنُ بِذَاتِ الْجَيْشِ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ بِالْعَقِيقِ.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন আপনি আপনার পিতাকে সফরে মাগরিবের নামাজ সর্বাধিক কতটুকু বিলম্বে আদায় করতে দেখেছেন? তখন সালিম (রহঃ) বললেন, আমরা যখন ‘যাতুল-জায়শ’ নামক স্থানে, তখন সূর্যাস্ত হয়, তিনি মাগরিবের নামাজ ‘আকীক’ নামক স্থানে গিয়ে আদায় করেছেন। (দুই স্থানের দূরত্ব ৭ মাইল)
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে জিজ্ঞেস করেন, তিনি তাঁর পিতাকে সফরে মাগরিবের নামাজ সর্বাধিক কতটুকু বিলম্বে আদায় করতে দেখেছেন। সালিম (র) বলেন, তাঁরা যখন যাতুল-জায়শ নামক স্থানে ছিলেন, তখন সূর্যাস্ত হয়; এরপর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আকীক নামক স্থানে গিয়ে মাগরিবের নামাজ আদায় করেন। বর্ণনায় দুই স্থানের দূরত্ব সাত মাইল বলা হয়েছে। এই হাদিসের মূল বিষয় সফরে মাগরিব নামাজ এবং যাত্রার অবস্থায় নামাজের সময় ব্যবস্থাপনা। এখানে কেবল একটি নির্দিষ্ট ঘটনার বিবরণ এসেছে; তাই এটিকে সব অবস্থার সাধারণ নিয়ম বানিয়ে বলা ঠিক নয়। বরং বোঝা যায়, সফরে কখনো যাত্রার প্রয়োজনের কারণে নামাজ কিছুটা পরে আদায়ের ঘটনা ঘটেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফরে মাগরিব নামাজ কিছুটা বিলম্বে আদায়ের একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।
- ইবনু উমার (রাঃ)-এর আমলে যাত্রার বাস্তব অবস্থার প্রভাব দেখা যায়।
- হাদিসটি নির্দিষ্ট স্থান ও ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
