৯/৩. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩২৭ - হজ্জ-উমরায় কসর নামাজ
কত দূরের সফরে নামায কসর আদায় করা ওয়াজিব হয়
হজ্জ বা উমরার সফরে যুল-হুলায়ফায় কসর নামাজ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩২৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩২৭
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا خَرَجَ حَاجًّا أَوْ مُعْتَمِرًا قَصَرَ الصَّلَاةَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) হজ অথবা উমরার উদ্দেশ্যে বের হলে ‘যুল-হুলায়ফা’ [১] নামক স্থানে নামাজ কসর করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
[১] যুল-হুলায়ফা মদীনা শরীফ হতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি জায়গার নাম।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নাফি (র) বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) যখন হজ্জ অথবা উমরার উদ্দেশ্যে বের হতেন, তখন যুল-হুলায়ফা নামক স্থানে নামাজ কসর করতেন। টীকার তথ্য অনুযায়ী, যুল-হুলায়ফা মদীনা শরীফ থেকে ছয় মাইল দূরের একটি জায়গা। এখানে মূল আলোচনা হলো হজ্জ-উমরার সফরে কসর নামাজ। হাদিসটি আমাদের দেখায়, ইবনু উমার (রাঃ) সফরে বের হওয়ার পর একটি নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে কসর আদায় করতেন। তবে এই বর্ণনায় শুধু তাঁর আমল উল্লেখ আছে; কসর শুরু করার সব শর্ত বিস্তারিতভাবে বলা হয়নি। তাই বিষয়টি বোঝার সময় সফরের নামাজ, কসর নামাজ এবং যাত্রা শুরু—এই তিনটি দিক আলাদা করে দেখা ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রাঃ) হজ্জ বা উমরার সফরে নামাজ কসর করতেন।
- যুল-হুলায়ফা নামক স্থানের কথা নির্দিষ্টভাবে এসেছে।
- হাদিসটি সফর শুরু হওয়ার পর কসর আদায়ের একটি সাহাবী আমল দেখায়।
