৯/৭. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৪০ - সফরে নফল নামাজ আদায়
সওয়ারীর উপর নামায আদায় করা এবং সফরে দিনে ও রাত্রিতে নফল আদায় করা
সফরে নফল নামাজ: দিনে ও রাতে আদায়ের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৪০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৪০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ وَعُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ وَأَبَا بَكْرِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ كَانُوا يَتَنَفَّلُونَ فِي السَّفَرِ قَالَ يَحْيَى و سُئِلَ مَالِك عَنْ النَّافِلَةِ فِي السَّفَرِ فَقَالَ لَا بَأْسَ بِذَلِكَ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَقَدْ بَلَغَنِي أَنَّ بَعْضَ أَهْلِ الْعِلْمِ كَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, উরওয়াহ ইবনু যুবায়র, আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) তাঁরা সকলেই সফরে নফল নামাজ আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহিয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ)-কে সফরে নফল আদায় সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছেন, দিনে হোক বা রাত্রে হোক, নফল নামাজ আদায় করাতে কোন ক্ষতি নেই। তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, কতিপয় আহলে ইলম সফরে নফল আদায় করতেন।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৪০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইমাম মালিক (র)-এর কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, উরওয়াহ ইবনু যুবায়র এবং আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (র) সফরে নফল নামাজ আদায় করতেন। এরপর ইয়াহইয়া (র) বলেন, ইমাম মালিক (র)-কে সফরে নফল আদায় সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দিনে হোক বা রাতে হোক, নফল নামাজ আদায় করাতে কোনো ক্ষতি নেই। তাঁর কাছে আরও পৌঁছেছে যে, কিছু আহলে ইলম সফরে নফল আদায় করতেন। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সফরে নফল নামাজ। আগের বর্ণনায় ইবনু উমার (রাঃ)-এর নির্দিষ্ট আমল দেখা গেলেও, এখানে কিছু আলেমের সফরে নফল পড়ার আমল এবং ইমাম মালিক (র)-এর সহজ বক্তব্য এসেছে। তাই বিষয়টি বুঝতে বর্ণনার সীমা বজায় রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিছু আলেম সফরে নফল নামাজ আদায় করতেন বলে বর্ণনা এসেছে।
- ইমাম মালিক (র) দিনে বা রাতে সফরে নফল পড়ায় দোষ দেখেননি।
- সফরে নফল নামাজের বিষয়ে একাধিক আমলের বর্ণনা পাওয়া যায়।
