৯/৭. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৪১ - সফরে নফল নামাজের শিক্ষা
সওয়ারীর উপর নামায আদায় করা এবং সফরে দিনে ও রাত্রিতে নফল আদায় করা
সফরে নফল নামাজ: ইবনু উমার (রাঃ)-এর আমল থেকে শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৪১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৪১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك قَالَ بَلَغَنِي عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَرَى ابْنَهُ عُبَيْدَ اللهِ بْنَ عَبْدِ اللهِ يَتَنَفَّلُ فِي السَّفَرِ فَلَا يُنْكِرُ عَلَيْهِ.> > quote here
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমার নিকট নাফি’ (রহঃ) হতে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) তাঁর ছেলে উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ)-কে সফরে নফল আদায় করতে দেখতেন, অথচ তিনি নিষেধ করতেন না।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৪১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সফরে নফল নামাজ আদায় করার একটি সহজ দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁর ছেলে উবায়দুল্লাহকে সফরে নফল নামাজ পড়তে দেখতেন। কিন্তু তিনি তাকে নিষেধ করতেন না। এখান থেকে বোঝা যায়, সফরের অবস্থায় নফল ইবাদতের ব্যাপারে সাহাবিদের মধ্যে বাস্তবভিত্তিক আমল ছিল। হাদিসের ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে বাড়তি কোনো দাবি করা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, সফরে থাকা মানেই সব নফল আমল ছেড়ে দিতে হবে—এমন কথা এই বর্ণনায় নেই। বরং সুযোগ, অবস্থা ও সামর্থ্য থাকলে নফল নামাজ আদায় করা যেতে পারে—এই অর্থটি বর্ণনা থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফরে সুযোগ থাকলে নফল নামাজ আদায় করা যেতে পারে।
- ভালো কাজ দেখলে সব সময় বাধা দেওয়া প্রয়োজন হয় না।
- ইবাদতের ক্ষেত্রে সাহাবিদের বাস্তব আমল থেকে সহজ শিক্ষা পাওয়া যায়।
