১৮/৭. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৩৮ - সফরে রোযা নিয়ে দোষারোপ নয়
প্রবাসে রোযা রাখা
সফরে রোযা রাখা বা না রাখা: দোষারোপ না করার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৩৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৩৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّهُ قَالَ، سَافَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَمَضَانَ فَلَمْ يَعِبْ الصَّائِمُ عَلَى الْمُفْطِرِ وَلَا الْمُفْطِرُ عَلَى الصَّائِمِ.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রমজানে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সাথে সফর করেছি। অতঃপর কোন রোজাদার রোজাভঙ্গকারীর উপর দোষারোপ করেননি এবং কোন রোজাভঙ্গকারীও কোন রোজাদারের উপর দোষারোপ করেননি।
(বুখারী ১৯৪৭, মুসলিম ১১১৮)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস ইবনু মালিক (রা.) বলেন, তাঁরা রমযানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সফর করেছেন। তখন কোনো রোযাদার রোযা ভঙ্গকারীর ওপর দোষারোপ করেননি, আর কোনো রোযা ভঙ্গকারীও রোযাদারের ওপর দোষারোপ করেননি। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সফরে রোযা নিয়ে সহনশীলতা। সফরের অবস্থায় কারও জন্য রোযা রাখা সহজ হতে পারে, আবার কারও জন্য কষ্টকর হতে পারে। এই বর্ণনায় দেখা যায়, সাহাবিরা একে অপরকে দোষারোপ করেননি। তাই সফরে রোযা রাখা বা ভঙ্গ করার ক্ষেত্রে অহংকার, তুচ্ছ করা বা ঝগড়া করা ঠিক নয়। হাদিসটি রমযানের সফরে বাস্তবতা, সহজতা এবং পারস্পরিক সম্মানের শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফরে রোযা রাখা ও ভঙ্গ করা নিয়ে সাহাবিরা একে অপরকে দোষারোপ করেননি।
- ইবাদতের ক্ষেত্রে মানুষের অবস্থা ভিন্ন হতে পারে।
- ভিন্ন আমল দেখলে অযথা সমালোচনা করা উচিত নয়।
- সফরে রোযার বিষয়ে সহজতা ও সম্মান বজায় রাখা দরকার।
