১৮/১২. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৫১ - ঈদের দিনে রোযা নিষেধ
ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা দিবসে এবং সারা বৎসর রোযা রাখা
ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে রোযা রাখা নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৫১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৫১
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الْأَضْحَى.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) দুই দিবসে রোজা নিষেধ করেছেন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন।
(সহীহ, মুসলিম ১১৩৮)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে রাসূলুল্লাহ্ صلى الله عليه وسلم দুই দিনে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন—ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু রোযার একটি বড় সীমা স্পষ্ট করে। রোযা ইবাদত হলেও সব দিনে রোযা রাখা ঠিক নয়। ঈদুল ফিতর হলো রমযানের রোযা শেষ করার আনন্দের দিন, আর ঈদুল আযহার দিন কুরবানীর সঙ্গে যুক্ত আনন্দের দিন। এই বর্ণনা শুধু নিষেধের কথা বলেছে, তাই এর বাইরে বাড়তি দাবি না করে বলা যায়—রোযার ইবাদতও নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর শেখানো সময় ও সীমা মেনে করতে হয়। যারা ঈদের দিনে রোযা রাখা যাবে কি না জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস সরাসরি উত্তর দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল ফিতরের দিনে রোযা রাখতে নিষেধ করা হয়েছে।
- ঈদুল আযহার দিনেও রোযা রাখতে নিষেধ করা হয়েছে।
- রোযা ইবাদত হলেও নিষিদ্ধ দিনের সীমা মানতে হয়।
- ইবাদতে নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশিত সময় জানা জরুরি।
