২০/১১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৩২ - ইফরাদ ইহরামের পর উমরা নয়
হজ্জে ইফরাদ
হজ্জে ইফরাদের ইহরাম করলে উমরা যোগ করার নিয়ম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৩২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৩২
-و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ أَهْلَ الْعِلْمِ يَقُولُونَ مَنْ أَهَلَّ بِحَجٍّ مُفْرَدٍ ثُمَّ بَدَا لَهُ أَنْ يُهِلَّ بَعْدَهُ بِعُمْرَةٍ فَلَيْسَ لَهُ ذَلِكَ قَالَ مَالِك وَذَلِكَ الَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
বিজ্ঞ আলিমগণের নিকট শুনেছি, তাঁরা বলতেন কেউ হজ্জের ইফরাদের ইহরাম করলে তার জন্য উমরার ইহরাম বাঁধা জায়েয নয়। মালিক (রহঃ) বলেন, আমি এই শহরের (মদীনা শরীফ) আলিমগণকে উক্তরূপ অভিমত পোষণ করতে দেখেছি।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইমাম মালিক (র) আলিমদের একটি মত উল্লেখ করেছেন। তাঁরা বলতেন, কেউ যদি হজ্জে ইফরাদের ইহরাম করে, পরে তার মনে হয় এর সঙ্গে উমরার ইহরামও বাঁধবে, তবে তার জন্য তা করা যাবে না। ইমাম মালিক (র) বলেন, মদীনার আলিমগণকে তিনি এই মতের ওপর পেয়েছেন। এখানে মূল বিষয় হলো, ইহরামের ধরন একবার ঠিক করলে তা নিয়ে সতর্ক থাকতে হয়। হজ্জে ইফরাদ মানে আলাদা করে শুধু হজ্জের ইহরাম। এই বর্ণনা কিরান বা উমরার সঙ্গে হজ্জ যোগ করার সব অবস্থার কথা বলছে না; বরং নির্দিষ্টভাবে হজ্জে ইফরাদ করার পর উমরা যোগ করার বিষয়ে কথা বলছে। তাই হজের নিয়ত ও ইহরামের ধরন বুঝে নেওয়া দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জে ইফরাদের ইহরাম করার পর উমরা যোগ করার বিষয়ে আলিমদের নিষেধের কথা এসেছে।
- ইহরামের ধরন ঠিক করার আগে বিষয়টি বুঝে নেওয়া দরকার।
- ইমাম মালিক (র) মদীনার আলিমদের মত উল্লেখ করেছেন।
- হজের মাসআলা বুঝতে নির্দিষ্ট অবস্থাকে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।
