২০/৩৮. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮১৩ - ফজর-আসরের পর তাওয়াফ ও নামায

ফজর ও আসরের পর তাওয়াফের নামায আদায় করা

ফজর ও আসরের পর তাওয়াফ: জামাত, বিরতি ও দুই রাকআতের সময়

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮১৩

- و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ أَنَّهُ قَالَ: لَقَدْ رَأَيْتُ الْبَيْتَ يَخْلُو بَعْدَ صَلَاةِ الصُّبْحِ وَبَعْدَ صَلَاةِ الْعَصْرِ مَا يَطُوفُ بِهِ أَحَدٌ.১৩৬২-قَالَ مَالِك وَمَنْ طَافَ بِالْبَيْتِ بَعْضَ أُسْبُوعِهِ ثُمَّ أُقِيمَتْ صَلَاةُ الصُّبْحِ أَوْ صَلَاةُ الْعَصْرِ فَإِنَّهُ يُصَلِّي مَعَ الْإِمَامِ ثُمَّ يَبْنِي عَلَى مَا طَافَ حَتَّى يُكْمِلَ سُبْعًا ثُمَّ لَا يُصَلِّي حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ أَوْ تَغْرُبَ قَالَ وَإِنْ أَخَّرَهُمَا حَتَّى يُصَلِّيَ الْمَغْرِبَ فَلَا بَأْسَ بِذَلِكَ.১৩৬৩-قَالَ مَالِك وَلَا بَأْسَ أَنْ يَطُوفَ الرَّجُلُ طَوَافًا وَاحِدًا بَعْدَ الصُّبْحِ وَبَعْدَ الْعَصْرِ لَا يَزِيدُ عَلَى سُبْعٍ وَاحِدٍ وَيُؤَخِّرُ الرَّكْعَتَيْنِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ كَمَا صَنَعَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَيُؤَخِّرُهُمَا بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَإِذَا غَرَبَتْ الشَّمْسُ صَلَّاهُمَا إِنْ شَاءَ وَإِنْ شَاءَ أَخَّرَهُمَا حَتَّى يُصَلِّيَ الْمَغْرِبَ لَا بَأْسَ بِذَلِكَ.

আবু যুবায়র মক্কী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি দেখেছি আসর ও ফজরের পর বায়তুল্লাহ্ খালি হয়ে পড়ত। ঐ সময় কোন তাওয়াফকারী থাকত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেন, তাওয়াফ শুরু করার পর ফজর বা আসরের জামাতের তাকবির শুরু হলে ইহা ত্যাগ করে ইমামের সাথে নামাজে শামিল হওয়া উচিত। নামাজ পড়ার পর অবশিষ্ট তাওয়াফ পুরা করবে। কিন্তু তাওয়াফের দুই রাক’আত নামাজ ফজরের সময় সূর্যোদয় এবং আসরের সময় সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত আদায় করবে না। মাগরিবের পর যদি উহা পড়ে তবে উহাতেও কোন দোষ নাই।মালিক (রহঃ) বলেন, সাত চক্করের উপর বৃদ্ধি না করে যদি কোন ব্যক্তি ফজর ও আসরের পর তাওয়াফ করে এবং তাওয়াফের দুই রাক’আত নামাজ সূর্যোদয়ের পর আদায় করে নেয়, যেরূপ উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) করেছিলেন, তাতে কোন দোষ নেই। আর যদি আসরের পর তাওয়াফ করে থাকে তবে সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বে তাওয়াফের নামাজ আদায় করবে না। সূর্যাস্তের পর ইচ্ছা করলে তাওয়াফের দুই রাক’আত নামাজ আদায় করে নিবে অথবা ইচ্ছা করলে মাগরিবের নামাজ সমাপ্ত করার পর আদায় করবে, এতে কোন ক্ষতি নেই।

অনুবাদের উৎস

সংকলক:
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮১৩-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় প্রথমে বলা হয়েছে, ফজর ও আসরের পর বায়তুল্লাহ খালি হয়ে যেত এবং তখন তাওয়াফকারী থাকত না। এরপর ইমাম মালিক (র) তাওয়াফ শুরু করার পর ফজর বা আসরের জামাত দাঁড়িয়ে গেলে কী করবে তা ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, তাওয়াফকারী তাওয়াফ ছেড়ে ইমামের সঙ্গে নামাযে যোগ দেবে, তারপর বাকি তাওয়াফ পূর্ণ করবে। তবে তাওয়াফের দুই রাকআত ফজরের সময় সূর্য ওঠার আগে এবং আসরের সময় সূর্য ডোবার আগে পড়বে না। সূর্যাস্তের পর বা মাগরিবের পর পড়লে দোষ নেই। তাই এই হাদিস ও ব্যাখ্যায় তাওয়াফের নিয়ম, জামাতের গুরুত্ব, এবং তাওয়াফের নামাযের সময়—সব একসঙ্গে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • জামাত শুরু হলে তাওয়াফ থামিয়ে ইমামের সঙ্গে নামাযে যোগ দেওয়ার কথা এসেছে।
  • নামাযের পর বাকি তাওয়াফ পূর্ণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
  • ফজর ও আসরের পর তাওয়াফের দুই রাকআত বিলম্ব করার কথা এসেছে।
  • তাওয়াফের আমলে সময় ও জামাত—দুটিরই খেয়াল রাখা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন