২০/৫০. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৪৯ - তাওয়াফে ইফাযার আগে সহবাস
তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে স্ত্রী সহবাস করলে তার কুরবানী
তাওয়াফে ইফাযার আগে সহবাস করলে উট কুরবানীর নির্দেশ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৪৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৪৯
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ وَقَعَ بِأَهْلِهِ وَهُوَ بِمِنًى قَبْلَ أَنْ يُفِيضَ فَأَمَرَهُ أَنْ يَنْحَرَ بَدَنَةً.
আতা ইবনু রাবাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হল, যে ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মিনাতে তাওয়াফে ইফাযার পূর্বে স্ত্রী সহবাস করেছে, তিনি তাকে একটি উট কুরবানী করতে হুকুম দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় তাওয়াফে ইফাযার আগে সহবাসের বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা)-এর ফয়সালা এসেছে। তাঁকে এমন এক ব্যক্তির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হয়, যে ইহরাম অবস্থায় মিনায় ছিল এবং তাওয়াফে ইফাযা করার আগে স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করেছে। তিনি তাকে একটি উট নাহর করার নির্দেশ দেন। হাদিসটি ছোট হলেও হজ্জের একটি বড় বিষয় বোঝায়: তাওয়াফে ইফাযা হজ্জের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি, আর এর আগে দাম্পত্য সম্পর্কে জড়ানোকে হালকা বিষয় হিসেবে নেওয়া হয়নি। এখানে হাদ্য়ী বা উট কুরবানীর কথা এসেছে। তাই হজ্জের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোন কোন সীমা বাকি থাকে, তা ভালোভাবে জানা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফে ইফাযার আগে সহবাসের ক্ষেত্রে উট কুরবানীর নির্দেশ এসেছে।
- হজ্জের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইহরামের সীমা বুঝে চলা দরকার।
- মাসআলা না জানলে জ্ঞানী ব্যক্তির কাছে জিজ্ঞেস করা উচিত।
