২০/৫৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৬৮ - ফজরের আগে রমী ও নাহরের বিধান
মহিলা ও শিশুদেরকে প্রথমে রওয়ানা করে দেওয়া
প্রস্তর নিক্ষেপের সময়: ফজর, রমী ও নাহরের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৬৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৬৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ بَعْضَ أَهْلِ الْعِلْمِ يَكْرَهُ رَمْيَ الْجَمْرَةِ حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ مِنْ يَوْمِ النَّحْرِ وَمَنْ رَمَى فَقَدْ حَلَّ لَهُ النَّحْرُ.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
কতিপয় আলিমের নিকট শুনেছেন যে, তাঁরা ইয়াওমুন-নাহরের ফজর হওয়ার পূর্বে প্রস্তর নিক্ষেপ করা মাকরূহ বলে মনে করতেন। যে ব্যক্তি প্রস্তর নিক্ষেপ করেছে তার জন্য নাহর করা হালাল হয়ে গিয়েছে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইমাম মালিক (র) বলেন, তিনি কিছু আলিমের কাছ থেকে শুনেছেন যে, তাঁরা ইয়াওমুন-নাহরের ফজর হওয়ার আগে প্রস্তর নিক্ষেপ করাকে মাকরূহ মনে করতেন। এরপর বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি প্রস্তর নিক্ষেপ করেছে, তার জন্য নাহর করা হালাল হয়ে যায়। এখানে রমী বা প্রস্তর নিক্ষেপ এবং নাহর করার সময়ের সম্পর্ক বোঝা যায়। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর ব্যাখ্যাও সীমিত রাখা ভালো। মূল বিষয় হলো, হজ্জের কাজে সময়ের গুরুত্ব আছে এবং ইয়াওমুন-নাহরের ফজর একটি উল্লেখযোগ্য সীমা হিসেবে এসেছে। পাশাপাশি রমীর পর নাহরের অনুমতির কথাও এই বর্ণনায় পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিছু আলিম ইয়াওমুন-নাহরের ফজরের আগে রমীকে মাকরূহ মনে করতেন।
- প্রস্তর নিক্ষেপের পর নাহর করা হালাল হওয়ার কথা এসেছে।
- হজ্জের আমলে সময়ের সীমা মানার শিক্ষা পাওয়া যায়।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত বিধান বানানো ঠিক নয়।
