২০/৫৬. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৬৯ - মুযদালিফায় ফজর ও মিনায় যাত্রা

মহিলা ও শিশুদেরকে প্রথমে রওয়ানা করে দেওয়া

মুযদালিফায় ফজর পড়ে মিনায় যাত্রা: আসমা (রা)-এর আমল

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৬৯

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا كَانَتْ تَرَى أَسْمَاءَ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ بِالْمُزْدَلِفَةِ تَأْمُرُ الَّذِي يُصَلِّي لَهَا وَلِأَصْحَابِهَا الصُّبْحَ يُصَلِّي لَهُمْ الصُّبْحَ حِينَ يَطْلُعُ الْفَجْرُ ثُمَّ تَرْكَبُ فَتَسِيرُ إِلَى مِنًى وَلَا تَقِفُ.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

মুযদালিফা অবস্থানকালে আসমা বিন্‌তে আবি বাক্‌র (রাঃ)-কে দেখেছি, যে ব্যক্তি তাঁদের নামাজ পড়াতেন তাকে তিনি বলতেন, সুবহে সাদিক হওয়ামাত্রই যেন নামাজ পড়িয়ে দেন। পরে নামাজ পড়ামাত্র আর বিলম্ব না করে তিনি মিনায় চলে আসতেন।

(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৬৯-এর সারসংক্ষেপ

ফাতিমা বিনতে মুনযির জানান, তিনি আসমা বিনতে আবি বকর (রা)-কে মুযদালিফায় দেখেছেন। আসমা (রা) যিনি তাঁদের নামায পড়াতেন, তাঁকে বলতেন, সুবহে সাদিক হওয়ামাত্র যেন ফজরের নামায পড়িয়ে দেন। তারপর নামায শেষ হতেই তিনি আর বিলম্ব না করে মিনার দিকে রওয়ানা হতেন। এই বর্ণনা মুযদালিফা থেকে মিনায় যাওয়ার সময় সম্পর্কে একটি সাহাবি আমল তুলে ধরে। এতে ফজরের নামায, সুবহে সাদিক এবং দ্রুত মিনায় যাত্রার বিষয় একসঙ্গে এসেছে। এখানে কোনো বাড়তি ব্যাখ্যা না করে বলা যায়, হজ্জের আমলে সময়ের প্রতি খেয়াল রাখা এবং প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে পরের আমলের দিকে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আসমা (রা) সুবহে সাদিক হলে ফজর পড়ার নির্দেশ দিতেন।
  • ফজরের নামাযের পর তিনি বিলম্ব না করে মিনায় যেতেন।
  • মুযদালিফা থেকে মিনায় যাওয়ার ক্ষেত্রে সময়ের গুরুত্ব বোঝা যায়।
  • সাহাবিদের আমল হজ্জের কাজ বোঝার জন্য সহায়ক।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন