২০/৭৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯২৪ - ইহরামে শিকার করলে ফিদ্য়ার বিধান
বন্য পশু-পাখি হত্যার ফিদ্য়া
ইহরাম অবস্থায় শিকার ও ফিদ্য়ার বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯২৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯২৪
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَضَى فِي الضَّبُعِ بِكَبْشٍ وَفِي الْغَزَالِ بِعَنْزٍ وَفِي الْأَرْنَبِ بِعَنَاقٍ وَفِي الْيَرْبُوعِ بِجَفْرَةٍ.
আবূয্ যুবায়র মক্কী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হায়েনার বেলায় একটি মেষ, হরিণের বেলায় একটি ছাগল এবং খরগোশ হত্যার বেলায় এক বৎসর বয়সের ছাগলছানা, বন্য ইঁদুর হত্যার বেলায় চার মাস বয়সের ছাগলছানা প্রদানের বিধান দিয়েছেন।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর কিছু ফয়সালা এসেছে। ইহরাম অবস্থায় শিকার করার বিষয়ে তিনি প্রাণীর ধরন অনুযায়ী বদলা বা ফিদ্য়ার কথা বলেছেন। হায়েনার বেলায় একটি মেষ, হরিণের বেলায় একটি ছাগল, খরগোশের বেলায় এক বছর বয়সের ছাগলছানা এবং বন্য ইঁদুরের বেলায় চার মাস বয়সের ছাগলছানা দেওয়ার বিধান তিনি দিয়েছেন। এখানে মূল বিষয় হলো, ইহরাম অবস্থায় শিকারকে হালকা বিষয় মনে করা যায় না। প্রতিটি প্রাণীর জন্য আলাদা ফিদ্য়ার কথা এসেছে। হাদিসটি হজ্জ ও উমরার সময় ইহরামের আদব এবং শিকার থেকে বেঁচে থাকার গুরুত্ব বুঝিয়ে দেয়। এটি সরাসরি একটি ফিকহি বর্ণনা, তাই এর ব্যাখ্যাও শিকার ও ফিদ্য়ার মধ্যেই সীমিত রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় শিকার করলে তার জন্য ফিদ্য়ার বিধান আছে।
- প্রাণীর ধরন অনুযায়ী ফিদ্য়ার পরিমাণ আলাদা হতে পারে।
- হজ্জ ও উমরায় ইহরামের সীমা মেনে চলা জরুরি।
- শিকারকে ছোট বিষয় মনে না করে সতর্ক থাকা উচিত।
