২১/৩. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯৫৮ - যুদ্ধে নারী ও শিশুহত্যার নিষেধাজ্ঞা
যুদ্ধে নারী ও শিশু হত্যার উপর নিষেধাজ্ঞা
যুদ্ধে নারী ও শিশু হত্যা নিষিদ্ধ: নববী যুদ্ধনীতির শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯৫৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯৫৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى فِي بَعْضِ مَغَازِيهِ امْرَأَةً مَقْتُولَةً فَأَنْكَرَ ذَلِكَ وَنَهَى عَنْ قَتْلِ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) কোন এক যুদ্ধে একজন স্ত্রীলোককে নিহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেন এবং যুদ্ধে নারী ও শিশুহত্যা নিষিদ্ধ করেন।
(বুখারী ৩০১৫, মুসলিম ১৭৪৪)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো এক যুদ্ধে একজন নারীকে নিহত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেন এবং যুদ্ধে নারী ও শিশু হত্যা নিষিদ্ধ করেন। বর্ণনাটি খুব সরল, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। যুদ্ধের মতো কঠিন অবস্থাতেও সীমা আছে। নারী ও শিশুকে লক্ষ্য বানানো যাবে না—এই নিষেধ সরাসরি হাদিসের ভাষায় এসেছে। তাই এই হাদিস ইসলামে যুদ্ধের আদব, মানবিক সীমা এবং নবীজির নির্দেশের গুরুত্ব বোঝায়। এখানে শুধু নারী ও শিশুহত্যা নিষেধের বিষয় এসেছে; অতিরিক্ত যুদ্ধবিধি বা বাইরের ঘটনা যোগ করা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি নিহত নারী দেখে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেছেন।
- যুদ্ধে নারী ও শিশু হত্যা নিষিদ্ধ বলে স্পষ্ট নির্দেশ এসেছে।
- কঠিন পরিস্থিতিতেও ইসলামের সীমা মানা জরুরি।
