২১/১৯. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯৯৩ - ঘোড়ার কপালে কল্যাণ
ঘোড়া, ঘোড়দৌড় এবং জিহাদে ব্যয় করার ফযীলত
ঘোড়ার কপালে কল্যাণ: প্রস্তুতি ও বরকতের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯৯৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯৯৩
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْخَيْلُ فِي نَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ঘোড়ার কপালে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত বরকত এবং মঙ্গল লিখে দেওয়া হয়েছে।
(বুখারী ২৮৪৯, মুসলিম ১৮৭১)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯৯৩-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ঘোড়ার কপালে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত বরকত ও মঙ্গল লিখে দেওয়া হয়েছে। বর্ণনাটি জিহাদ অধ্যায়ের মধ্যে এসেছে, তাই এখানে ঘোড়া শুধু সাধারণ প্রাণী হিসেবে নয়, বরং যুদ্ধ ও যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ বাহন হিসেবে বোঝা যায়। হাদিসে ঘোড়ার মর্যাদা, উপকারিতা এবং কল্যাণের কথা সংক্ষেপে বলা হয়েছে। তবে এর বাইরে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা যোগ না করাই ভালো। সরাসরি যে শিক্ষা পাওয়া যায় তা হলো, যে বাহন আল্লাহর পথে কাজে লাগে, তার যত্ন ও মূল্য বোঝা দরকার। ঘোড়া সম্পর্কিত হাদিসগুলোতে প্রস্তুতি, দায়িত্ব এবং ব্যবহারযোগ্য সম্পদের গুরুত্বও দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘোড়া সম্পর্কে হাদিসে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণের কথা এসেছে।
- উপকারী বাহনকে সম্মান ও যত্নের সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত।
- আল্লাহর পথে কাজের প্রস্তুতিতে বাহনের গুরুত্ব রয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও বড় শিক্ষা বহন করতে পারে।
