১২/৮৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১১৪৪ - রফউল ইয়াদাইন ও দুই সিজদার মাঝের আমল
দু’ সাজদার মাঝে হাত না উঠানো
সালাতে রফউল ইয়াদাইন এবং দুই সিজদার মাঝের নিয়ম
সুনানে আন-নাসায়ী : ১১৪৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১১৪৪
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ كَبَّرَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ، وَإِذَا رَكَعَ، وَبَعْدَ الرُّكُوعِ، وَلَا يَرْفَعُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ»
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সালিম ইবনু 'আবদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে তার পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) যখন সালাত শুরু করতেন তখন তাকবির বলতেন এবং তাঁর দু' হাত উঠাতেন, আর যখন রুকূ' করতেন এবং রুকূ'র পরেও (এরূপ করতেন)। আর তিনি হাত উঠাতেন না দু' সিজদার মাঝে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১১৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সালাতে হাত তোলার নির্দিষ্ট সময় বলা হয়েছে। তিনি সালাত শুরু করার সময় তাকবীর বলতেন এবং দুই হাত তুলতেন। রুকুতে যাওয়ার সময়ও হাত তুলতেন। রুকু শেষ করে ওঠার পরও একই কাজ করতেন। তবে দুই সিজদার মাঝখানে তিনি হাত তুলতেন না। হাদিসটির মূল বিষয় রফউল ইয়াদাইন এবং এর বর্ণিত সীমা। এতে একদিকে হাত তোলার তিনটি অবস্থার কথা এসেছে, অন্যদিকে দুই সিজদার মাঝে না তোলার কথাও পরিষ্কার করা হয়েছে। তাই বর্ণনাটি পড়ার সময় প্রতিটি অবস্থাকে আলাদা করে দেখা দরকার। হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুই রাখা উচিত। এখানে সালাত শুরু, রুকু এবং রুকু থেকে ওঠা—এই তিন অবস্থায় হাত তোলার কথা সরাসরি পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের শুরুতে তাকবীরের সঙ্গে দুই হাত তোলা হয়েছে।
- রুকুতে যাওয়া ও রুকু থেকে ওঠার সময় হাত তোলার বর্ণনা আছে।
- দুই সিজদার মাঝখানে হাত না তোলার কথা স্পষ্টভাবে এসেছে।
- সালাতের প্রতিটি অবস্থার বর্ণনা আলাদা করে বুঝতে হয়।
