১৪/১১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৩৮৩ - জুমার গোসল, মিসওয়াক ও সুগন্ধি
জুমু‘আর জন্যে সাজ-গোজ
জুমার গোসল: মিসওয়াক ও সুগন্ধির সহজ শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৮৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৩৮৩
أَخْبَرَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سَوَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ سُلَيْمٍ أَخْبَرَهُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ الْغُسْلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ، وَالسِّوَاكَ، وَأَنْ يَمَسَّ مِنَ الطِّيبِ مَا يَقْدِرُ عَلَيْهِ»
আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ সা'ঈদ (রাঃ)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জুমু'আর দিনে প্রত্যেক বালেগ ব্যক্তির ওপরে গোসল করা জরুরি। আর সাধ্যানুযায়ী মিসওয়াক করা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা।
[১] উতারিদ ইব্ন হাজিব তামীমী একজন সাহাবী, বনূ তামীমের প্রতিনিধি দলের সাথে তিনি মদীনায় আগমন করে নবী (ﷺ)-এর কাছে মুসলমান হয়েছিলেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৩৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো জুমার পরিচ্ছন্নতা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, জুমার দিনে প্রত্যেক বালেগ ব্যক্তির ওপর গোসল করা জরুরি। সঙ্গে সাধ্য অনুযায়ী মিসওয়াক করা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করার কথাও এসেছে। হাদিসটি খুব সহজ ভাষায় আমাদের জানায় যে জুমার নামাজে যাওয়ার আগে শরীর, মুখ ও গন্ধের দিকে খেয়াল রাখা উচিত। মসজিদে মানুষ একসাথে হয়, তাই নিজের পরিচ্ছন্নতা অন্য মুসল্লিদের আরামের সাথেও জড়িত। “জুমার গোসল”, “মিসওয়াকের ফজিলত” ও “জুমার সুগন্ধি” এই হাদিসের প্রধান আলোচ্য বিষয়। এখানে কোনো বাড়তি শর্ত বলা হয়নি; বরং সাধ্য অনুযায়ী যতটুকু সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে জুমায় যাওয়ার নির্দেশনাই মূল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার দিনে বালেগ ব্যক্তির গোসলের গুরুত্ব রয়েছে।
- সাধ্য থাকলে মিসওয়াক করা উচিত।
- সুগন্ধি ব্যবহার মসজিদের পরিবেশকে আরামদায়ক করে।
