১৪/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৩৯৯ - জুমায় মানুষকে কষ্ট দেওয়া নিষেধ
জুমু‘আহ্হ্বারে ইমামের মিম্বারে থাকা অবস্থায় মানুষের ঘাড়ের উপর দিয়ে যাওয়া নিষেধ
জুমার দিনে মানুষের ঘাড় ডিঙানো: কষ্ট না দেওয়ার শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৯৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৩৯৯
أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ بَيَانٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ بْنَ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي الزَّاهِرِيَّةِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُسْرٍ، قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا إِلَى جَانِبِهِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَقَالَ: جَاءَ رَجُلٌ يَتَخَطَّى رِقَابَ النَّاسِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَيِ اجْلِسْ فَقَدْ آذَيْتَ»
আবদুল্লাহ ইবনু বুসর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি জুমাবারে তাঁর নিকট বসা ছিলাম, অতঃপর তিনি বলেন, এক ব্যক্তি মানুষের ঘাড় ডিঙিয়ে এসেছিল, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, বসে পড়, তুমি মানুষকে কষ্ট দিচ্ছ!
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৩৯৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো জুমার আদব ও মুসল্লিদের কষ্ট না দেওয়া। বর্ণনাকারী বলেন, জুমার দিন এক ব্যক্তি মানুষের ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে আসছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাকে বললেন, বসে পড়; তুমি মানুষকে কষ্ট দিচ্ছ। হাদিসটি খুব সরাসরি শিক্ষা দেয় যে জুমার মজলিসে অন্যদের বিরক্ত করা ঠিক নয়। আগে আসতে চাইলে আগে বের হতে হবে; দেরিতে এসে মানুষের কাঁধ বা ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে যাওয়া কষ্টের কারণ। এখানে “জুমায় ঘাড় ডিঙানো”, “মুসল্লিকে কষ্ট দেওয়া” এবং “জুমার আদব” প্রধান কীওয়ার্ড। এই হাদিসে দীর্ঘ আলোচনা নেই; একটি ছোট ঘটনার মাধ্যমে মসজিদের শৃঙ্খলা, ভদ্রতা এবং অন্যের আরামের প্রতি খেয়াল রাখার শিক্ষা এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার দিনে মানুষের ঘাড় ডিঙিয়ে এগোনো কষ্টের কারণ।
- দেরিতে এলে যেখানে জায়গা পাওয়া যায় সেখানেই বসা উচিত।
- মসজিদে অন্য মুসল্লিদের আরামের দিকে খেয়াল রাখা দরকার।
