২০/৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৬০৮ - রাতের সালাত ছেড়ে ঘুমানোর সতর্কতা
তাহাজ্জুদের প্রতি উৎসাহ দান করা
সারা রাত ঘুমিয়ে সালাত না পড়ার বিষয়ে সতর্কতা
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৬০৮
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৬০৮
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: ذُكِرَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ نَامَ لَيْلَةً حَتَّى أَصْبَحَ، قَالَ: «ذَاكَ رَجُلٌ بَالَ الشَّيْطَانُ فِي أُذُنَيْهِ»
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তির উল্লেখ করা হলো, যে সারা রাত সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়েছে। তিনি (ﷺ) বললেন, সে ব্যক্তির দু' কানে শয়তান পেশাব করে দিয়েছে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৬০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এমন এক ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে, যে সারা রাত সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিল। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে তার কথা উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন, সে ব্যক্তির দুই কানে শয়তান পেশাব করেছে। হাদিসের ভাষা খুব সতর্কতামূলক। এর মাধ্যমে রাতের সালাত বা অন্তত আল্লাহর স্মরণ থেকে পুরোপুরি গাফেল থাকার ক্ষতি বোঝানো হয়েছে। এখানে অযথা বাড়তি দাবি করার দরকার নেই; মূল শিক্ষা হলো, রাতকে শুধু ঘুমে শেষ না করে আল্লাহর দিকে ফেরার চেষ্টা করা। ঘুম মানুষের প্রয়োজন, কিন্তু ইবাদত থেকে সম্পূর্ণ উদাস থাকা ভালো লক্ষণ নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সারা রাত ইবাদত থেকে গাফেল থাকা নিন্দনীয়।
- রাতের কিছু সময় আল্লাহর স্মরণে দেওয়া উচিত।
- শয়তান মানুষকে সালাত থেকে দূরে রাখতে চায়।
- ঘুম দরকার, তবে ইবাদতের ব্যাপারে উদাসীনতা ক্ষতিকর।
