২০/৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৬০৯ - সালাত না পড়ে ঘুমের সতর্কতা
তাহাজ্জুদের প্রতি উৎসাহ দান করা
রাতে সালাত না পড়ে ঘুমিয়ে থাকার বিষয়ে হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৬০৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৬০৯
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَجُلًا قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ فُلَانًا نَامَ عَنِ الصَّلَاةِ الْبَارِحَةَ حَتَّى أَصْبَحَ، قَالَ: «ذَاكَ شَيْطَانٌ بَالَ فِي أُذُنَيْهِ»
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! অমুক ব্যক্তি গত রাতে সালাত আদায় না করেই সকাল অবধি ঘুমিয়েছে। তিনি বললেন, সে ব্যক্তির কানে শয়তান পেশাব করে দিয়েছে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৬০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একজন ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হলো, সে গত রাতে সালাত আদায় না করেই সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বললেন, তার কানে শয়তান পেশাব করেছে। এই বর্ণনা রাতের সালাত ও আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল থাকার ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা দেয়। হাদিসটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ঘুমের কারণে ইবাদত পুরোপুরি হারিয়ে ফেলা ভালো নয়। বিশেষ করে রাতের সালাত, জিকির বা অন্তত জেগে আল্লাহকে স্মরণ করার চেষ্টা একজন মুমিনের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে উদ্দেশ্য মানুষকে ভয় দেখানো নয়; বরং অলসতা ও গাফেলতা থেকে জাগিয়ে দেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত ছাড়া সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকা সতর্কতার বিষয়।
- শয়তান মানুষকে ইবাদত থেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করে।
- রাতের আমলে অলসতা কাটানোর চেষ্টা করা দরকার।
- আল্লাহর স্মরণে জাগা মুমিনের জন্য উপকারী।
