২০/৬৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৮০৫ - দৈনিক ১২ রাকাত নফল সালাত
হাদীস বর্ণনায় ইসমা‘ঈল ইবনু খালিদ-এর ওপর মতানৈক্য
ফরজ ছাড়া ১২ রাকাত সালাতের ফজিলত
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৮০৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৮০৫
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ، عَنْ الْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ عَنْبَسَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ قَالَتْ: «مَنْ صَلَّى فِي اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً سِوَى الْمَكْتُوبَةِ بُنِيَ لَهُ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ»
উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে ব্যক্তি দিন রাতে বারো রাকাত সালাত আদায় করবে ফরজ সালাত ব্যতীত, তার জন্যে জান্নাতে একটি ঘর বানানো হবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৮০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দিন ও রাতে ফরজ সালাত ছাড়া ১২ রাকাত সালাত আদায়ের কথা এসেছে। যে ব্যক্তি তা আদায় করবে, তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানানো হবে—এটাই বর্ণনার মূল সুসংবাদ। “ফরজ সালাত ব্যতীত” কথাটি এখানে বিশেষভাবে লক্ষণীয়। অর্থাৎ এই বারো রাকাত ফরজ নামাজের অংশ নয়; এগুলো অতিরিক্ত সালাত। তবে কোন ওয়াক্তের আগে বা পরে কত রাকাত পড়তে হবে, এই বর্ণনায় তা বলা হয়নি। তাই ১২ রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ম ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অন্য বর্ণনার বিস্তারিত এখানে সরাসরি বসানো উচিত নয়। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও আমলের সংখ্যা, সময়সীমা এবং প্রতিদান—এই তিনটি বিষয় জানায়: দিন-রাতের মধ্যে বারো রাকাত, ফরজের বাইরে, এবং জান্নাতে ঘরের সুসংবাদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বারো রাকাতকে ফরজ সালাতের বাইরে বলা হয়েছে।
- আমলটি দিন ও রাতের মধ্যে সম্পন্ন করার কথা এসেছে।
- এই বর্ণনায় পৃথক ওয়াক্তের তালিকা নেই।
