১/১৩০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৯৩ - মযী ও বীর্যের আলাদা বিধান
বীর্যপাতের দরুন গোসল করা প্রসঙ্গ
মযী বের হলে করণীয়: ধোয়া, ওজু ও গোসলের পার্থক্য
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৯৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৯৩
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ وَعَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ وَاللَّفْظُ لِقُتَيْبَةَ قَالَا: حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنِ الرُّكَيْنِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ قَبِيصَةَ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا رَأَيْتَ الْمَذْيَ فَاغْسِلْ ذَكَرَكَ، وَتَوَضَّأْ وُضُوءَكَ لِلصَّلَاةِ، وَإِذَا فَضَخْتَ الْمَاءَ فَاغْتَسِلْ»
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি এমন ছিলাম যে, আমার বেশি মাযী বের হতো, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, যখন তুমি মযী দেখ তখন তোমার পুরুষাঙ্গ ধৌত কর এবং সালাতের ওজুর ন্যায় ওজু কর। আর যখন বীর্য বের হয় তখন গোসল কর।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৯৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আলী (রাঃ) বলেন, তাঁর বেশি মযী বের হতো। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে স্পষ্টভাবে দুটি অবস্থার কথা শিখিয়েছেন। মযী দেখা গেলে পুরুষাঙ্গ ধৌত করতে হবে এবং সালাতের ওজুর মতো ওজু করতে হবে। আর বীর্য বের হলে গোসল করতে হবে। তাই এই হাদিসে মযী ও বীর্যের বিধান আলাদা করে বোঝানো হয়েছে। মযী হলে গোসল নয়, বরং ধোয়া ও ওজুর কথা এসেছে। আর বীর্যের ক্ষেত্রে গোসলের নির্দেশ এসেছে। এটি পবিত্রতা শেখার খুব দরকারি হাদিস। তবে এখানে শুধু পুরুষের নিজের অবস্থার কথা এসেছে; অন্য কোনো সাধারণ স্বাস্থ্য আলোচনা বা বাড়তি ব্যাখ্যা হাদিসের বাইরে থেকে যোগ করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মযী দেখা গেলে অঙ্গ ধুতে বলা হয়েছে।
- মযীর পর সালাতের ওজুর মতো ওজু করতে বলা হয়েছে।
- বীর্য বের হলে গোসলের নির্দেশ এসেছে।
- মযী ও বীর্যের বিধান এক নয়।
