১/১৩০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৯৪ - মযী দেখলে ওজু, বীর্য দেখলে গোসল
বীর্যপাতের দরুন গোসল করা প্রসঙ্গ
মযী ও বীর্য: কখন ওজু, কখন গোসল
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৯৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৯৪
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ زَائِدَةَ، ح وَأَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَاللَّفْظُ لَهُ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنِ الرُّكَيْنِ بْنِ الرَّبِيعِ بْنِ عَمِيلَةَ الْفَزَارِيِّ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ قَبِيصَةَ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «إِذَا رَأَيْتَ الْمَذْيَ فَتَوَضَّأْ وَاغْسِلْ ذَكَرَكَ، وَإِذَا رَأَيْتَ فَضْخَ الْمَاءِ فَاغْتَسِلْ»
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমার অত্যধিক মাযী বের হতো, আমি নাবী (ﷺ)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম, তখন তিনি আমাকে বললেন, যখন তুমি মাযী দেখতে পাও তখন তোমার পুরুষাঙ্গ ধৌত কর ও ওজু কর। আর যখন বীর্যের ফোঁটা দেখতে পাবে তখন গোসল করবে।
[১] মিকদাদ (রাঃ) অথবা আম্মার (রাঃ)-এর মাধ্যমে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আলী (রাঃ) নিজেই বলেন, তাঁর অত্যধিক মযী বের হতো। তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে বলেন, মযী দেখতে পেলে ওজু করবে এবং পুরুষাঙ্গ ধৌত করবে। আর বীর্যের ফোঁটা দেখতে পেলে গোসল করবে। হাদিসটি খুব পরিষ্কারভাবে দুটি করণীয় আলাদা করেছে। মযী হলে শরীরের সংশ্লিষ্ট অংশ ধোয়া এবং ওজু—এটাই বলা হয়েছে। বীর্যের ক্ষেত্রে গোসল। তাই যারা ‘মযী হলে গোসল লাগে কি’ বা ‘বীর্য হলে কী করতে হয়’ জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস সরাসরি দিক দেখায়। ব্যাখ্যায় লজ্জা নয়, শালীনতা ও জ্ঞানের ভাষা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রশ্ন করে প্রয়োজনীয় দ্বীনি জ্ঞান নেওয়া যায়।
- মযী দেখলে ওজু ও অঙ্গ ধোয়ার নির্দেশ আছে।
- বীর্য দেখলে গোসলের নির্দেশ আছে।
- পবিত্রতার বিষয় শালীনভাবে শেখা জরুরি।
