১/১৩২. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৯৯ - বীর্যপাত হলে গোসল ফরজ

যার স্বপ্নদোষ হয় অথচ বীর্য দেখে না

বীর্যপাত হলেই গোসল ফরজ: الماء من الماء হাদিস

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৯৯

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْعَلَاءِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ابْنِ سُعَادٍ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْمَاءُ مِنَ الْمَاءِ»

আবূ আইয়ূব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেন : বীর্যপাত হলেই গোসল ওয়াজিব হয়।

[১] উক্ত হাদীসে ইহতিলাম বা স্বপ্নদোষের হুকুম বর্ণনা করা হয়েছে। সহবাসের বেলায় এটা প্রযোজ্য নয়। এ সম্পর্কে অন্য হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, স্বামী-স্ত্রীর উভয়ের লজ্জাস্থান পরস্পর মিলিত হলেই গোসল ওয়াজিব হয়।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৯৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) সংক্ষেপে বলেছেন: বীর্যপাত হলেই গোসল ফরজ হয়। আরবি বাক্য ‘আল-মাউ মিনাল-মা’ খুব ছোট, কিন্তু পবিত্রতার বিধানে তা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মূল শিক্ষা হলো, বীর্য নির্গত হলে বড় পবিত্রতার জন্য গোসল করতে হবে। হাদিসটি মযী বা অন্য কোনো তরল নিয়ে কথা বলছে না; শুধু বীর্যপাতের সঙ্গে গোসলের সম্পর্ক বলছে। তাই ব্যাখ্যায় মযী, স্বপ্ন, সহবাস—এসব আলাদা বর্ণনার আলোচনায় না গিয়ে এই হাদিসের মূল কথায় থাকা ভালো। সহজভাবে বললে, বীর্যপাতের পর সালাতসহ ইবাদতের জন্য গোসল প্রয়োজন। এই শিক্ষা ব্যক্তিগত পবিত্রতা ও ইবাদতের প্রস্তুতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বীর্যপাত হলে গোসলের কথা সরাসরি এসেছে।
  • ছোট বাক্যেও গুরুত্বপূর্ণ বিধান থাকতে পারে।
  • এ হাদিস মযীর বিধান নয়, বীর্যের বিধান বলছে।
  • ইবাদতের আগে বড় পবিত্রতা অর্জন জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন