২১/১০০. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২০৩৩ - কবর জিয়ারতের আদব ও নেশা থেকে বিরত থাকা

ক্ববর যিয়ারত করা

কবর জিয়ারতের আদব, কুরবানির গোশত ও নেশা বর্জন

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২০৩৩

أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ أَبِي فَرْوَةَ، عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ سُبَيْعٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ فِي مَجْلِسٍ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «إِنِّي كُنْتُ نَهَيْتُكُمْ أَنْ تَأْكُلُوا لُحُومَ الْأَضَاحِيِّ إِلَّا ثَلَاثًا، فَكُلُوا وَأَطْعِمُوا وَادَّخِرُوا مَا بَدَا لَكُمْ، وَذَكَرْتُ لَكُمْ أَنْ لَا تَنْتَبِذُوا فِي الظُّرُوفِ الدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ وَالنَّقِيرِ وَالْحَنْتَمِ انْتَبِذُوا فِيمَا رَأَيْتُمْ وَاجْتَنِبُوا كُلَّ مُسْكِرٍ، وَنَهَيْتُكُمْ عَنْ زِيَارَةِ الْقُبُورِ، فَمَنْ أَرَادَ أَنْ يَزُورَ فَلْيَزُرْ، وَلَا تَقُولُوا هُجْرًا»

বুরাইদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

'আবদুল্লাহ ইবনু বুরয়দাহ্ (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি এমন এক বৈঠকে ছিলেন যেখানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-ও ছিলেন। তিনি বললেন যে, আমি তোমাদেরকে কুরবানীর গোশত তিন দিনের বেশি খেতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা যতদিন ইচ্ছা খাও একে অপরকে খাওয়াও এবং জমা করে রাখ। আমি তোমাদের বলেছিলাম যে, তোমরা কদুর পাত্র, তৈলাক্ত পাত্র, কাঠের পাত্র এবং হানতাম [আল কাতরার প্রলেপযুক্ত পাত্র] জাতীয় পাত্রে নাবীয ভিজাবে না। এখন তোমরা যাতে ইচ্ছা তাতেই বানাতে পার। তবে হ্যাঁ, প্রত্যেক নেশাদায়ক বস্তু থেকে বেঁচে থাকবে। আমি তোমাদের কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন যাদের ইচ্ছা তাঁরা যিয়ারত করতে পার, তবে সেখানে অপ্রয়োজনীয় কথা বলবে না।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২০৩৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কয়েকটি আগের নিষেধের পরিবর্তিত নির্দেশ দেন। কুরবানির গোশত তিন দিনের বেশি না খাওয়ার আগের নিষেধ তুলে নিয়ে তিনি বলেন, খাও, অন্যকে খাওয়াও এবং ইচ্ছামতো জমা রাখ। বিভিন্ন ধরনের পাত্রে নাবীয তৈরি না করার আগের নিষেধও তুলে দেওয়া হয়। তবে প্রত্যেক নেশাদায়ক বস্তু থেকে বেঁচে থাকতে বলা হয়। এরপর কবর জিয়ারতের আগের নিষেধ তুলে নিয়ে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে জিয়ারতের অনুমতি দেওয়া হয়, কিন্তু সেখানে অপ্রয়োজনীয় বা অসংগত কথা বলতে নিষেধ করা হয়। তাই হাদিসটির মূল বিষয় “কবর জিয়ারতের আদব”, “কুরবানির গোশত সংরক্ষণ” এবং “নেশা বর্জন”। অনুমতির সঙ্গে সীমা ও শিষ্টাচার—দুটিই এই বর্ণনায় স্পষ্টভাবে আছে। কবর জিয়ারতের সময় মুখের কথার প্রতিও সতর্ক থাকা এই হাদিসের সরাসরি শিক্ষা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কুরবানির গোশত খাওয়া, অন্যকে খাওয়ানো এবং জমা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
  • যে পাত্রেই নাবীয তৈরি হোক, নেশাদায়ক বস্তু থেকে বেঁচে থাকতে হবে।
  • কবর জিয়ারত করা যায়, তবে সেখানে অপ্রয়োজনীয় বা অসংগত কথা বলা যাবে না।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন