২২/৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১১৪ - চাঁদ দেখার হাদিসের মুরসাল সূত্র
রমাযান মাসের চাঁদ দেখার ব্যাপারে একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা এবং এ ব্যাপারে সিমাক (রহিমাহুল্লাহ)-এর হাদীসে সুফইয়ান এর বর্ণনা পার্থক্য
মুরসাল হাদিস: ইকরিমা (রহ.)-এর সূত্রে চাঁদ দেখার বর্ণনা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১১৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১১৪
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي دَاوُدَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ مُرْسَلٌ،
‘ইকরিমাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
'ইকরিমাহ্ (রহঃ) থেকেও মুরসাল সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত। এতে নতুন কোনো ঘটনা, নির্দেশ বা আলাদা বক্তব্য যোগ করা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে যে পূর্বে উল্লেখিত চাঁদ দেখার হাদিসটি ইকরিমা (রহ.) থেকে মুরসাল সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। ইসলামী স্কলারদের মতে, মুরসাল বর্ণনা বলতে সাধারণত এমন সূত্র বোঝায় যেখানে একজন তাবেঈ সরাসরি নবি صلى الله عليه وسلم থেকে বর্ণনা করেন এবং মাঝের সাহাবির নাম উল্লেখ থাকে না। তাই এই অংশটি মূলত হাদিসের বিষয়বস্তুর চেয়ে বর্ণনাসূত্রের ধরন সম্পর্কে তথ্য দেয়। পাঠকের উচিত এটিকে স্বতন্ত্র পূর্ণ ঘটনা হিসেবে না পড়ে, আগের বর্ণনার একটি সনদ-সংক্রান্ত নোট হিসেবে বোঝা। এখানে চাঁদ দেখা, সাক্ষ্য গ্রহণ বা সাওমের ঘোষণার বিস্তারিত পুনরায় বলা হয়নি। ফলে ব্যাখ্যায় সেই সব কথা নিশ্চিতভাবে এই সংক্ষিপ্ত পাঠের ওপর আরোপ করা ঠিক হবে না; বরং মুরসাল সূত্রের তথ্যটিই কেন্দ্র রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনা নতুন ঘটনা নয়, একটি সনদ-সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত নোট।
- ইকরিমা (রহ.) থেকে বর্ণনাটি মুরসালভাবে এসেছে।
- মুরসাল সূত্রে মাঝের সাহাবির নাম উল্লেখ থাকে না—এটি স্কলারদের প্রচলিত ব্যাখ্যা।
- সংক্ষিপ্ত পাঠে নেই এমন বিস্তারিত নিজে থেকে যোগ করা উচিত নয়।
