২২/১৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৪৯ - সাহরি খাওয়ার বরকত
‘আবদুল মালিক ইবনু আবু সুলায়মান (রহিমাহুল্লাহ) সূত্রে এ হাদীস বর্ণনায় সানাদের পার্থক্য
সাহরি খাওয়ার বরকত: রোজার সহজ নববী নির্দেশ
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৪৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৪৯
خْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: تَسَحَّرُوا فَإِنَّ فِي السَّحُورِ بَرَكَةً "
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) সূত্রে নাবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন। তিনি (ﷺ) বলেছেন: তোমরা সাহরী খাও, কেননা সাহরীতে রয়েছে বারাকাত।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم-এর একটি ছোট কিন্তু স্পষ্ট নির্দেশ এসেছে: সাহরি খাও, কারণ সাহরিতে বরকত রয়েছে। কথাটি সহজ হওয়ায় এর মূল শিক্ষা বুঝতেও অসুবিধা নেই। রোজা রাখার আগে সাহরি গ্রহণকে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে এবং এর সঙ্গে কল্যাণের কথা যুক্ত করা হয়েছে। হাদিসে সাহরির খাবারের ধরন, পরিমাণ কিংবা কতক্ষণ ধরে খেতে হবে—এসব বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যার কেন্দ্র হওয়া উচিত নির্দেশটির মূল অর্থ। সাহরি এমন একটি আমল, যা নবী صلى الله عليه وسلم উৎসাহিত করেছেন। তবে “বরকত” শব্দ থেকে নিজের মতো করে বহু নিশ্চিত ফল বের করে বলা ঠিক নয়, কারণ এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় সেসব বিস্তারিত নেই। দৈনন্দিন জীবনে শিক্ষা হলো, রোজার প্রস্তুতিতে সাহরির সময়কে অবহেলা না করা এবং সুযোগমতো কিছু খেয়ে নববী নির্দেশ মানার চেষ্টা করা। সহজ একটি কাজের সঙ্গে বরকতের কথা আসা মুসলিমকে সাহরির প্রতি আগ্রহী ও যত্নবান করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم সাহরি খেতে বলেছেন।
- সাহরিতে বরকত রয়েছে—এটাই হাদিসের মূল কারণ।
- সাহরির নির্দিষ্ট খাবার বা পরিমাণ এই বর্ণনায় বলা হয়নি।
- মূল বক্তব্যের বাইরে অতিরঞ্জিত ফল যোগ করা উচিত নয়।
