২২/৩৯. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৯৩ - লাইলাতুল কদরের রাত জাগরণ

যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রমাযান মাসে রাতের সলাত আদায় করে এবং সওম পালন করে তার সাওয়াব - এ বিষয়ে যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) থেকে রিওয়ায়াত বর্ণনায় ইখতিলাফ

লাইলাতুল কদরের নামাজ: ঈমান ও সওয়াবের নিয়তে রাত জাগরণ

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৯৩

أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، قَالَ: أَنْبَأَنَا إِسْحَقُ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ يُونُسَ الْأَيْلِيِّ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ فِي جَوْفِ اللَّيْلِ يُصَلِّي فِي الْمَسْجِدِ، فَصَلَّى بِالنَّاسِ - وَسَاقَ الْحَدِيثَ، وَفِيهِ قَالَتْ - فَكَانَ يُرَغِّبُهُمْ فِي قِيَامِ رَمَضَانَ مِنْ غَيْرِ أَنْ يَأْمُرَهُمْ بِعَزِيمَةٍ، وَيَقُولُ: «مَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ» قَالَ: فَتُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالْأَمْرُ عَلَى ذَلِكَ---[حكم الألباني] صحيح الإسناد لكن قوله متوفى الخ مدرج إنما هو من قول الزهري

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

'উরওয়াহ্ ইবনুয যুবায়র (রহঃ) হতে বর্ণিত। 'আয়িশাহ্ (রাঃ) তাঁকে খবর দিয়েছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) [একদিন] মধ্যরাতে বের হয়ে গেলেন এবং মসজিদে গিয়ে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। এটা দীর্ঘ হাদীস; এতে উল্লেখ রয়েছে যে, 'আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেছেন: তিনি (ﷺ) লোকেদেরকে ফরজের নির্দেশ না দিয়েই রাতের (তারাবির) সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করে বলতেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত্রি জাগরণ করে তার পূর্বের সমস্ত [সগীরাহ্] গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। রাবী বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইন্তেকাল পর্যন্ত তাঁর আমল এ রকমই ছিল।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৯৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে লাইলাতুল কদরের রাতের সালাতকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم মধ্যরাতে মসজিদে গিয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। তিনি রমজানের রাতের সালাতে মানুষকে উৎসাহিত করতেন, কিন্তু এটিকে ফরজ নির্দেশ হিসেবে চাপিয়ে দিতেন না। এরপর তিনি বলেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে এবং সওয়াবের নিয়তে লাইলাতুল কদরে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। তাই এই হাদিসে রাত জাগরণের আসল অর্থ শুধু না ঘুমানো নয়; সালাত, ঈমান এবং আল্লাহর প্রতিদানের আশা—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে আছে। প্রদত্ত তাহকীকে সনদকে সহিহ বলা হয়েছে, তবে শেষের একটি বক্তব্য যুহরীর সংযোজন বলে নোট করা হয়েছে। এই সীমার মধ্যেই ফজিলতটি বোঝা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • লাইলাতুল কদরে সালাত ঈমানের সঙ্গে আদায় করতে হবে।
  • সওয়াবের নিয়ত এই রাতের ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
  • নবী صلى الله عليه وسلم রাতের সালাতে উৎসাহ দিয়েছেন, ফরজ করেননি।
  • প্রদত্ত তাহকীকে শেষের বাক্য সম্পর্কে সংযোজনের নোট আছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন