১/২১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২ - শৌচের সময় কেবলামুখী না হওয়ার শিক্ষা
পায়খানা-প্রস্রাব করার সময় পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে ফিরে বসার নির্দেশ
শৌচের সময় কেবলামুখী না বসার হাদিস ও সহজ শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: أَنْبَأَنَا غُنْدَرٌ قَالَ: أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَتَى أَحَدُكُمُ الْغَائِطَ فَلَا يَسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ، وَلَكِنْ لِيُشَرِّقْ أَوْ لِيُغَرِّبْ»
আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন (পায়খানার জন্য) নিচু জমির দিকে যাবে তখন সে যেন কেবলামুখী হয়ে না বসে। বরং সে পূর্বদিকে অথবা পশ্চিমদিকে ফিরে বসবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) খুব স্পষ্টভাবে শৌচের একটি আদব শিখিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেউ যখন পায়খানার জন্য নিচু জমির দিকে যাবে, তখন সে যেন কেবলামুখী হয়ে না বসে। বরং পূর্বদিকে অথবা পশ্চিমদিকে ফিরে বসবে। এখানে মূল বিষয় হলো কেবলার সম্মান। কেবলা মুসলিম জীবনের বড় একটি চিহ্ন; নামাজে আমরা সেই দিকে মুখ করি। তাই প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের সময় কেবলামুখী না হওয়া একটি সুন্দর শিষ্টাচার। হাদিসের ভাষা সহজ, নির্দেশনাও পরিষ্কার। এতে বোঝা যায়, ইসলাম মানুষের ছোট-বড় সব কাজকে আদবের মধ্যে আনতে চায়। শৌচের সময় দিক ঠিক রাখাও সেই আদবের অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শৌচের সময় কেবলামুখী হয়ে বসা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
- পূর্ব বা পশ্চিম দিকে ফিরে বসার নির্দেশ এসেছে।
- কেবলার সম্মান শুধু নামাজের সময় নয়, দৈনন্দিন জীবনেও মনে রাখতে হয়।
- প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের সময়ও মুসলিমকে শিষ্টাচার শেখানো হয়েছে।
