২২/৪৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৫৫ - সফরে রোজা ও সওয়াবের শিক্ষা
সফরকালীন সওম পালন করা মাকরূহ
সফরে রোজা: কখন এটি সওয়াবের কাজ নয়
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২৫৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২৫৫
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ كَعْبِ بْنِ عَاصِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «لَيْسَ مِنَ الْبِرِّ الصِّيَامُ فِي السَّفَرِ»
কা'ব ইবনু 'আসিম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি (ﷺ) বলেছেন: সফরকালীন অবস্থায় সাওম পালন করা কোনো সাওয়াবের কাজ নয়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৫৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কাব ইবনু আসিম (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বলতে শুনেছেন যে, সফর অবস্থায় সাওম পালন কোনো সওয়াবের কাজ নয়। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত এবং এতে কোনো আলাদা ঘটনা, ব্যক্তির অবস্থা বা অতিরিক্ত শর্ত উল্লেখ করা হয়নি। তাই এই হাদিসের ব্যাখ্যায় মূল বাক্যের বাইরে গিয়ে বিস্তৃত সিদ্ধান্ত যোগ না করাই নিরাপদ। এর কেন্দ্রীয় শিক্ষা হলো সফরের অবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং ইবাদতে নিজের বাস্তব অবস্থাকে উপেক্ষা না করা। এখানে সাওমের সাধারণ ফজিলত অস্বীকার করা হয়নি; বরং সফরকালীন অবস্থার বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট বক্তব্য এসেছে। পাঠকের উচিত হাদিসটির ভাষা ঠিক রেখে বোঝা এবং সফরে রোজা নিয়ে বিস্তারিত বিধান জানতে অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বর্ণনা ও ইসলামী স্কলারদের ব্যাখ্যা দেখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফর অবস্থায় সাওম সম্পর্কে বিশেষ নির্দেশ এসেছে।
- হাদিসের সংক্ষিপ্ত ভাষার বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
- ইবাদতে সফরের বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় নিতে হয়।
- বিস্তারিত বিধানের জন্য অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বর্ণনাও দেখা দরকার।
