২৪/৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬২৯ - উমরা কাফফারা ও মাবরূর হজ্জ
উমরার ফাযীলাত
উমরা থেকে উমরা কাফফারা: মাবরূর হজ্জের জান্নাতী প্রতিদান
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৬২৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৬২৯
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا، وَالْحَجُّ الْمَبْرُورُ، لَيْسَ لَهُ جَزَاءٌ إِلَّا الْجَنَّةُ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : এক 'উমরাহ্ হতে অন্য 'উমরার মধ্যবর্তী সময়ের জন্য কাফ্ফারাহ্। আর 'মাবরূর' হজের বিনিময় কেবলমাত্র জান্নাত।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হজ্জ ও উমরার ফজিলত একসাথে এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, এক উমরা হতে অন্য উমরার মধ্যবর্তী সময়ের জন্য কাফফারা। আর মাবরূর হজ্জের বিনিময় কেবল জান্নাত। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো উমরার কাফফারা ও মাবরূর হজ্জের প্রতিদান। এতে মুসলিমকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে, সে যেন উমরাকে গুরুত্ব দেয় এবং হজ্জকে শুধু আনুষ্ঠানিক সফর মনে না করে। মাবরূর হজ্জ মানে এমন হজ্জ, যা গ্রহণযোগ্যতার দিকে নিয়ে যায়—হাদিসে প্রতিদান হিসেবে জান্নাত বলা হয়েছে। তবে এখানে উমরার কাফফারার কথা বলা হয়েছে, তাই গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা, তাওবা করা এবং ইবাদতকে সুন্দর করা—এসব ভাবনাও স্বাভাবিকভাবে সামনে আসে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উমরার মধ্যবর্তী সময়ের জন্য কাফফারার কথা এসেছে।
- মাবরূর হজ্জের প্রতিদান জান্নাত হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে।
- হজ্জ ও উমরাকে আন্তরিক ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।
