২৪/৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬৩০ - হজ্জ ও উমরার ধারাবাহিকতা
পরস্পর হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ করার ফাযীলাত
হজ্জ ও উমরা ধারাবাহিকভাবে করা: পাপ ও অভাব দূর হওয়ার শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৬৩০
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৬৩০
أَخْبَرَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَتَّابٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَزْرَةُ بْنُ ثَابِتٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَابِعُوا بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ، فَإِنَّهُمَا: يَنْفِيَانِ الْفَقْرَ، وَالذُّنُوبَ، كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ»
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
'আম্র ইবনু দীনার (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমরা হজ সমাপনের পর 'উমরাহ্ এবং 'উমরার পর হজ কর, কেননা তা অভাব অনটন ও পাপকে দূরীভূত করে যেমন হাপর লোহার মরিচা দূর করে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) হজ্জের পর উমরা এবং উমরার পর হজ্জ করার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, এগুলো অভাব-অনটন ও পাপকে দূর করে, যেমন হাপর লোহার মরিচা দূর করে। এখানে মূল বিষয় হলো হজ্জ-উমরার ধারাবাহিকতা। হাদিসের ভাষায় একটি সুন্দর উদাহরণ এসেছে—হাপর যেমন লোহা থেকে ময়লা আলাদা করে, তেমনি হজ্জ ও উমরা পাপ ও অভাব দূর হওয়ার কারণ হতে পারে। তবে কথাটি ইবাদতের ফজিলত হিসেবে বুঝতে হবে, অলসতা বা পরিকল্পনাহীন জীবনের বাহানা হিসেবে নয়। হাদিসটি মুসলিমকে আল্লাহর ঘরের ইবাদতের দিকে বারবার মন ফেরাতে শেখায় এবং নিজের জীবনকে পাপ থেকে পরিষ্কার করার চেষ্টা করতে বলে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জ ও উমরা ধারাবাহিকভাবে করার উৎসাহ এসেছে।
- হজ্জ-উমরা পাপ দূর হওয়ার কারণ হতে পারে।
- হাদিসে অভাব দূর হওয়ার কথা এসেছে, তবে তা ইবাদতের ফজিলত হিসেবে বুঝতে হবে।
