২৪/৫৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭৪৮ - হজ্জের তালবিয়ার সহিহ শব্দ
কিরূপে তালবিয়াহ্ পড়তে হয়?
হজ্জের তালবিয়া বাংলা অর্থসহ: লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৭৪৮
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৭৪৮
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَكَمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ زَيْدًا، وَأَبَا بَكْرٍ ابْنَيْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ أَنَّهُمَا، سَمِعَا نَافِعًا، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: «لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لَا شَرِيكَ لَكَ»
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত।তিনি নাবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলতেন : لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لَا شَرِيكَ لَكَ “লাব্বায়ক আল্ল-হুম্মা লাব্বায়ক, লাব্বায়কা লা- শারীকা লাকা লাব্বায়ক, ইন্নাল হাম্দা ওয়ানি'মাতা লাকা ওয়াল মুল্ক, লা- শারীকা লাকা” [আমি হাযির, হে আল্লাহ! হাযির আমি হাযির! হাযির আমি হাযির! আপনার কোনো অংশীদার নেই। হাযির আমি হাযির। সমস্ত প্রশংসা ও নি'আমাত আপনার এবং [সমগ্র] রাজত্ব; [এসবে] আপনার কোনো অংশীদার নেই।]।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم থেকে বর্ণিত তালবিয়ার শব্দগুলো এসেছে। তালবিয়ায় বলা হয়: হে আল্লাহ, আমি হাজির; আপনার কোনো শরীক নেই; সব প্রশংসা, নেয়ামত ও রাজত্ব আপনার; আপনার কোনো শরীক নেই। এটি হজ্জ ও উমরার সময় বহুল পরিচিত লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক বাক্য। এই বর্ণনার বিশেষ দিক হলো, এখানে তালবিয়ার মূল শব্দ ও বাংলা অর্থ একসাথে বোঝা যায়। এতে বান্দা আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে, আবার তাওহীদের কথাও ঘোষণা করে। হাদিসের সীমার মধ্যে থাকলে বলা যায়, তালবিয়া শুধু মুখের বাক্য নয়; এর কথাগুলো আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর একত্বের স্বীকৃতি বহন করে। যারা তালবিয়া দোয়া, তালবিয়া বাংলা উচ্চারণ বা তালবিয়ার অর্থ জানতে চান, এই হাদিস তাদের মূল সূত্রগুলোর একটি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তালবিয়ায় আল্লাহর ডাকে হাজির হওয়ার ঘোষণা আছে।
- তালবিয়ার মূল কথায় শিরক অস্বীকার করা হয়েছে।
- প্রশংসা, নেয়ামত ও রাজত্ব আল্লাহর—এই বিশ্বাস তালবিয়ায় আছে।
- হজ্জ-উমরায় পড়া বাক্যগুলোর অর্থ জানা উপকারী।
