২৪/৬৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭৭৭ - কিলাদা পাকানো কিন্তু ইহরাম নয়
ক্বিলাদা পাকান
কিলাদা পাকানো কিন্তু ইহরাম নয়: হাদয়ী নিয়ে সহজ শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৭৭৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৭৭৭
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَامِرٌ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «إِنْ كُنْتُ لَأَفْتِلُ قَلَائِدَ هَدْيِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ يُقِيمُ وَلَا يُحْرِمُ»
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদিয়র কিলাদা পাকাতাম। তারপরও তিনি (ﷺ) মাদীনায় অবস্থান করতেন, ইহরাম বাঁধতেন না।
[২] অর্থাৎ নিজে হজ্জে না গিয়ে শুধু 'হাদী' পাঠালে তার দ্বারা ইহরাম সাব্যস্ত হয় না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭৭৭-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: কিলাদা ইহরাম। এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর হাদয়ীর কিলাদা পাকাতেন। তারপরও নবী (صلى الله عليه وسلم) মদীনায় অবস্থান করতেন এবং ইহরাম বাঁধতেন না। হাদিসটি ছোট হলেও এর শিক্ষা স্পষ্ট। হাদয়ীর জন্য মালা বা কিলাদা প্রস্তুত করা একটি কাজ, আর ইহরাম বাঁধা আলাদা কাজ। কেবল কিলাদা পাকানো বা হাদয়ী প্রস্তুত করার কারণে কেউ মুহরিম হয়ে যায়—এমন কথা এই বর্ণনায় নেই। বরং বর্ণনায় এসেছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) কিলাদা প্রস্তুত হওয়ার পরও মদীনায় থাকতেন এবং ইহরাম করতেন না। তাই যারা হাদয়ী, কিলাদা, ইহরাম এবং হালাল অবস্থার পার্থক্য জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস সরল ও পরিষ্কার নির্দেশনা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আয়িশা (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর হাদয়ীর কিলাদা পাকাতেন।
- কিলাদা পাকানোর পরও নবী (صلى الله عليه وسلم) মদীনায় অবস্থান করতেন।
- তিনি সেই অবস্থায় ইহরাম বাঁধতেন না—এটি হাদিসে স্পষ্ট।
- হাদয়ীর প্রস্তুতি ও ইহরামের মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি।
