২৪/৬৮. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭৮৪ - কিলাদা বানানো মানেই ইহরাম নয়

উটকে মালা পরানো

কুরবানীর পশুর কিলাদা বানানো কি ইহরাম?

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৭৮৪

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «فَتَلْتُ قَلَائِدَ بُدْنِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ لَمْ يُحْرِمْ، وَلَمْ يَتْرُكْ شَيْئًا مِنَ الثِّيَابِ»

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদয়ির [কুরবানীর] উটের কিলাদা পাকিয়েছি। অথচ তিনি ইহ্রাম বাঁধেননি [ইহ্রামকারী বিবেচিত হননি] এবং কোনো কাপড়ও পরিত্যাগ করেননি।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭৮৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) খুব সংক্ষেপে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর হাদয়ির উটের কিলাদা পাকিয়ে দিতেন। কিন্তু এরপর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ইহরাম বাঁধেননি এবং কোনো কাপড়ও পরিত্যাগ করেননি। অর্থাৎ এই বর্ণনায় কিলাদা বানানোকে সরাসরি ইহরাম ধরা হয়নি। যারা “হাদয়ির কিলাদা”, “ইহরাম ও হাদয়ি” বা “কুরবানীর পশুর কিলাদা” বিষয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিসটি স্পষ্ট ভাষায় একটি দিক তুলে ধরে। হাদিসটি কোনো দীর্ঘ আলোচনা নয়; তাই ব্যাখ্যাও সেই সীমার ভেতর রাখা দরকার। এখানে শুধু এতটুকুই বলা যায় যে কিলাদা তৈরি করা এবং ইহরামে প্রবেশ করা একই কাজ হিসেবে দেখানো হয়নি। পাঠক হিসেবে আমাদের জন্য সতর্কতা হলো, হাদিসে যে কাজ ও যে শব্দ এসেছে, ব্যাখ্যায় ঠিক সেই সীমা বজায় রাখা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কিলাদা তৈরি করা নিজে নিজে ইহরাম প্রমাণ করে না।
  • রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কোনো কাপড় ত্যাগ করেননি—এটি বর্ণনায় এসেছে।
  • হাদয়ি নিয়ে কাজের সময় নির্দিষ্ট অবস্থার পার্থক্য আছে।
  • ছোট বর্ণনাও বড় একটি বিষয় পরিষ্কার করতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন