২৪/৭২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭৯৭ - বকরির কিলাদা পাঠিয়েও হালাল থাকা
কুরবানীর জন্তুকে কিলাদা পরানোর মাধ্যমে কি ইহ্রাম বাঁধা ওয়াজিব হয়ে যায়?
হাদয়ির বকরির কিলাদা ও হালাল অবস্থায় থাকা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৭৯৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৭৯৭
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَائَشَةَ، قَالَتْ: «لَقَدْ رَأَيْتُنِي أَفْتِلُ قَلَائِدَ هَدْيِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ الْغَنَمِ، فَيَبْعَثُ بِهَا، ثُمَّ يُقِيمُ فِينَا حَلَالًا»
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমার স্মরণ আছে যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদিয় বকরীর কিলাদা বানিয়ে দিতাম। তিনি (ﷺ) তা পাঠিয়ে দিতেন। এরপর তিনি (ﷺ) আমাদের মাঝে হালাল অবস্থায় থাকতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) স্মরণ করে বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর হাদয়ির বকরির কিলাদা বানিয়ে দিতেন। তারপর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তা পাঠিয়ে দিতেন এবং এরপর তিনি তাঁদের মাঝে হালাল অবস্থায় থাকতেন। এই বর্ণনা আগের কয়েকটি বর্ণনার মতোই হাদয়ি পাঠানো ও হালাল থাকার বিষয়টি স্পষ্ট করে। “বকরির কিলাদা”, “ছাগল হাদয়ি” এবং “হালাল অবস্থায় থাকা” এখানে প্রধান শব্দ। হাদিসটি ছোট, কিন্তু বার্তাটি পরিষ্কার: হাদয়ির পশুকে কিলাদা পরিয়ে পাঠানো হয়েছে, আর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) নিজে হালাল অবস্থায় ছিলেন। এর বাইরে সময়, সংখ্যা বা অন্য বিধান এখানে উল্লেখ নেই। পাঠক হিসেবে আমাদের জন্য সতর্কতা হলো, হাদিসে যে কাজ ও যে শব্দ এসেছে, ব্যাখ্যায় ঠিক সেই সীমা বজায় রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদয়ির বকরির কিলাদা বানানো হয়েছে।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তা পাঠিয়ে দেন।
- তিনি তাঁদের মাঝে হালাল অবস্থায় ছিলেন—এটি স্পষ্টভাবে এসেছে।
- ছোট বর্ণনা থেকেও হাদয়ি ও ইহরামের পার্থক্য বোঝা যায়।
