২৪/৯২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৮৪৬ - ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগানো
মুহরিম ব্যক্তির শিঙ্গা লাগানো
ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগানো: হাদিসের সহজ শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮৪৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৮৪৬
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ طَاوُسٍ، وَعَطَاءٌ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ، وَهُوَ مُحْرِمٌ»
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ইহ্রাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছিলেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৮৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সংক্ষেপে বলা হয়েছে যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছিলেন। এখানে “শিঙ্গা লাগানো” বলতে হিজামার কথা এসেছে। হাদিসটি বড় কোনো গল্প নয়, বরং একটি সরাসরি ঘটনা। তাই ব্যাখ্যাও সরল হওয়া উচিত। ইহরামের সময় অনেক নিষেধ আছে, কিন্তু এই বর্ণনায় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগানোর কথা এসেছে। যারা “ইহরামে শিঙ্গা লাগানো”, “মুহরিম অবস্থায় চিকিৎসা”, বা “হজ্জে হিজামা” নিয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিসটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখান থেকে অতিরিক্ত দাবি না করে শুধু এতটুকুই বলা নিরাপদ যে, বর্ণনায় ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগানোর ঘটনা স্পষ্টভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগানোর ঘটনা এসেছে।
- ইহরাম অবস্থার কাজগুলো বুঝতে নির্ভরযোগ্য বর্ণনা দেখা দরকার।
- চিকিৎসা সম্পর্কিত কাজের ক্ষেত্রেও হাদিসের ভাষা যতটুকু বলে, ততটুকুই বলা উচিত।
