৩/৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩৬২ - হায়েজের রক্ত চেনার উপায়
হায়য ও ইস্তিহাযার রক্তের পার্থক্য
হায়েজের রক্ত ও ইস্তিহাযা চেনার সহজ হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ৩৬২
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৩৬২
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو وَهُوَ ابْنُ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ أَبِي حُبَيْشٍ أَنَّهَا كَانَتْ تُسْتَحَاضُ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا كَانَ دَمُ الْحَيْضِ فَإِنَّهُ دَمٌ أَسْوَدُ يُعْرَفُ فَأَمْسِكِي عَنِ الصَّلَاةِ، وَإِذَا كَانَ الْآخَرُ فَتَوَضَّئِي؛ فَإِنَّمَا هُوَ عِرْقٌ» قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ هَذَا مِنْ كِتَابِهِ---[حكم الألباني] حسن صحيح
ফাত্বিমাহ্ বিনতু আবূ হুবায়শ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি ইস্তিহাযাগ্রস্ত হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, হায়যের রক্ত হয় কালো বর্ণের যা চেনা যায়। এ সময় তুমি সালাত থেকে বিরত থাকবে। আর যদি হায়যের রক্ত না হয় তবে ওজু করে নিবে। কারণ তা হচ্ছে শিরা থেকে নির্গত রক্ত বিশেষ। মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না বলেন, এ হাদীসটি ইবনু আবূ 'আদী আমাদের নিকট তাঁর কিতাব হতে বর্ণনা করেছেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইস্তিহাযাগ্রস্ত নারীর জন্য হায়েজের রক্ত চেনার একটি লক্ষণ বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, হায়েজের রক্ত কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। যখন সেই রক্ত থাকে, তখন সালাত থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আর যখন তা হায়েজের রক্ত নয়, তখন ওজু করে নিতে বলা হয়েছে। কারণ সে রক্তকে শিরা থেকে নির্গত রক্ত বলা হয়েছে। এখানে মূল বিষয় হলো—সব রক্তকে একইভাবে হায়েজ ধরা হয়নি। হায়েজের রক্ত, ইস্তিহাযা, ওজু এবং সালাতের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে এই বর্ণনা খুব সরাসরি ভাষায় দিকনির্দেশনা দেয়। বর্ণনার শেষ অংশে রাবীর কিতাব থেকে বর্ণনার কথাও উল্লেখ আছে, তাই হাদিসটি পাঠের সময় মূল বক্তব্যের পাশাপাশি বর্ণনার ধরণও দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়েজের রক্ত কালো বর্ণের এবং চেনা যায় বলে বর্ণনায় এসেছে।
- হায়েজের সময় সালাত থেকে বিরত থাকার নির্দেশ আছে।
- হায়েজ নয় এমন রক্ত হলে ওজু করার কথা বলা হয়েছে।
- ইস্তিহাযার রক্তকে শিরা থেকে আসা রক্ত বলা হয়েছে।
