১/৪১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৬ - পানি দিয়ে শৌচকার্যের শিক্ষা
পানির দ্বারা পবিত্রতা অর্জন প্রসঙ্গ
পানি দিয়ে শৌচকার্য: আয়েশা (রাঃ)-এর বর্ণনায় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল
সুনানে আন-নাসায়ী : ৪৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৪৬
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُعَاذَةَ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ: «مُرْنَ أَزْوَاجَكُنَّ أَنْ يَسْتَطِيبُوا بِالْمَاءِ، فَإِنِّي أَسْتَحْيِيهِمْ مِنْهُ، إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَفْعَلُهُ»
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তোমাদের স্বামীদেরকে পানি দিয়ে শৌচকার্য সমাধান করতে বল, আমি নিজে তাদেরকে এ কথা বলতে লজ্জাবোধ করি, অবশ্যই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপই করতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো পানি দিয়ে শৌচকার্য। আয়েশা (রাঃ) নারীদের উদ্দেশে বলেন, তোমাদের স্বামীদের পানি দিয়ে শৌচকার্য সমাধান করতে বল। তিনি জানান, তিনি নিজে তাদের সরাসরি বলতে লজ্জাবোধ করেন, তবে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এরূপই করতেন। এখানে দুটি শিক্ষা খুব পরিষ্কার। প্রথমত, পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলের অংশ। দ্বিতীয়ত, পরিচ্ছন্নতার কথা লজ্জার কারণে বাদ দেওয়া উচিত নয়; সুন্দরভাবে বলা যেতে পারে। হাদিসের ভাষা সরল, কিন্তু এর বার্তা খুব বাস্তব। ঘরের মানুষকে পবিত্রতার ভালো অভ্যাসে উৎসাহ দেওয়া যায়, তবে তা ভদ্রতা ও লজ্জাশীলতা বজায় রেখে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) পানি দিয়ে শৌচকার্য করতেন বলে বর্ণনায় এসেছে।
- পরিবারের মানুষকে পরিচ্ছন্নতার ভালো অভ্যাসে উৎসাহ দেওয়া যায়।
- লজ্জাশীলতা বজায় রেখেও প্রয়োজনীয় কথা বলা যায়।
- শৌচকার্যের পর পানির ব্যবহারকে এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
