৫/১৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৭৪ - আসর সালাত ছেড়ে দেওয়ার কঠিন ক্ষতি
যে ব্যক্তি ‘আস্ত্রের সলাত ছেড়ে দেয়
আসরের সালাত ছেড়ে দিলে আমল ধ্বংস হওয়ার সতর্কতা
সুনানে আন-নাসায়ী : ৪৭৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৪৭৪
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ هِشَامٍ قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الْمَلِيحِ قَالَ: كُنَّا مَعَ بُرَيْدَةَ فِي يَوْمٍ ذِي غَيْمٍ فَقَالَ: بَكِّرُوا بِالصَّلَاةِ؛ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ تَرَكَ صَلَاةَ الْعَصْرِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ»
আবুল মালীহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা মেঘাচ্ছন্ন দিনে আমরা বুরয়দাহ্ (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, অবিলম্বে সালাত আদায় করে নাও, কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি আসরের সালাত ছেড়ে দিল তার সকল আমল ধ্বংস হয়ে গেল।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৭৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আসর সালাতের ব্যাপারে খুব কঠিন সতর্কতা এসেছে। বর্ণনাকারীরা এক মেঘাচ্ছন্ন দিনে বুরাইদা (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলেন। তখন তিনি বলেন, অবিলম্বে সালাত আদায় করে নাও। কারণ রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি আসরের সালাত ছেড়ে দিল, তার সকল আমল ধ্বংস হয়ে গেল। মেঘলা দিনে সময় বোঝা কঠিন হতে পারে, তাই বুরাইদা (রাঃ) দ্রুত সালাত আদায়ের কথা বলেন। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, আসর সালাতকে হালকা করা যাবে না। এর সময় চলে যাওয়ার আগে আদায় করতে হবে। এখানে “আমল ধ্বংস” কথাটি হাদিসের সরাসরি ভাষা, তাই এটি বড় সতর্কতা হিসেবে বুঝতে হবে। একজন মুসলিমের উচিত কাজের ব্যস্ততা, আবহাওয়া বা দেরির কারণে আসর সালাত ছেড়ে না দেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আসর সালাত ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে কঠিন সতর্কতা এসেছে।
- মেঘলা দিনে সালাতের সময় নিয়ে বেশি সতর্ক থাকা দরকার।
- সালাত বিলম্ব না করে সময়মতো আদায় করা উচিত।
- আসর সালাতকে হালকা করে দেখা যাবে না।
