৫/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৭৩ - সালাতুল উসতা থেকে বিরত রাখার ঘটনা
‘আস্ত্রর সলাত যত্ন সহকারে আদায় করা
সালাতুল উসতা: সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিলম্বের সতর্ক বর্ণনা
সুনানে আন-নাসায়ী : ৪৭৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৪৭৩
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، حَدَّثَنَا خَالِدٌ قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ: أَخْبَرَنِي قَتَادَةُ، عَنْ أَبِي حَسَّانَ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «شَغَلُونَا عَنِ الصَّلَاةِ الْوُسْطَى حَتَّى غَرَبَتِ الشَّمْسُ»
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
'আলী (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (খন্দাকের যুদ্ধে) কাফিররা সূর্যাস্ত পর্যন্ত আমাদেরকে সালাতুল উসতা হতে বিরত রেখেছিল।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি সংক্ষিপ্ত বাণী এসেছে। তিনি বলেছেন, কাফিররা আমাদেরকে সালাতুল উসতা থেকে ব্যস্ত রেখেছিল, এমনকি সূর্য ডুবে গেল। অনুবাদে খন্দকের যুদ্ধের কথা বন্ধনীর মধ্যে এসেছে। তাই এখানে মূল শিক্ষা হলো, সালাতুল উসতার গুরুত্ব এবং সালাত থেকে ব্যস্ত হয়ে যাওয়ার কষ্টকর দিক। নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কথায় বোঝা যায়, এই সালাত ছুটে যাওয়া বা বিলম্ব হওয়া সাধারণ বিষয় ছিল না; এটি গুরুতর বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিসে সালাতুল উসতা কোন সালাত—তার বিস্তারিত আলোচনা এখানে নেই, তাই ব্যাখ্যায় নতুন দাবি আনা ঠিক নয়। তবে আগের বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে অনেকেই আসর সালাতের প্রসঙ্গ বুঝেন—এ কথা বললেও এই হাদিসের নিজের ভাষা সালাতুল উসতার বিলম্বের ওপর জোর দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতুল উসতার গুরুত্ব এই হাদিসে স্পষ্ট।
- ব্যস্ততা বা বাধার কারণে সালাত বিলম্ব হওয়া বড় ক্ষতির বিষয়।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) সালাত থেকে বিরত রাখার ঘটনাকে গুরুতরভাবে বলেছেন।
- সালাতের সময়ের ব্যাপারে সতর্ক থাকা দরকার।
