৬/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৫৩৩ - ইশার সালাত বিলম্বে আদায়
‘ইশার সলাত দেরী করে আদায় করা মুস্তাহাব
ইশার সালাত দেরিতে আদায়: সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫৩৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৫৩৩
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُؤَخِّرُ الْعِشَاء الْآخِرَةَ»
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইশার সালাত দেরিতে আদায় করতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৫৩৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত। জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ইশার সালাত দেরিতে আদায় করতেন। এখানে ইশা সালাতের বিলম্বের বিষয়টি সরাসরি এসেছে। তবে হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হওয়ায় এর বাইরে কোনো বড় দাবি করা ঠিক নয়। এটুকুই বলা যায়, নবীজির আমলে ইশা কখনো দেরিতে আদায় করা হয়েছে। অন্য বর্ণনা অনুযায়ী, উম্মতের কষ্টের বিষয় থাকলে তিনি তা বিবেচনা করতেন। তাই ইশা দেরিতে পড়া নিয়ে আলোচনা করলে এই হাদিসের সঙ্গে সহজতা ও জামাআতের অবস্থা—দুটোই মনে রাখা দরকার। সারকথা হলো, ইশার ওয়াক্ত জানার পাশাপাশি সালাতের প্রতি যত্ন রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ইশা সালাত দেরিতে আদায় করতেন—এ কথা এসেছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
- ইশার ওয়াক্ত সম্পর্কে হাদিসভিত্তিক ধারণা রাখা দরকার।
- সালাতের সময় নিয়ে নবীজির আমল আমাদের জন্য শিক্ষা।
