৬/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৫৩৪ - ইশা বিলম্ব ও মিসওয়াকের শিক্ষা
‘ইশার সলাত দেরী করে আদায় করা মুস্তাহাব
ইশা বিলম্ব ও মিসওয়াক: উম্মতের প্রতি নবীজির দয়া
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫৩৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৫৩৪
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنْ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِتَأْخِيرِ الْعِشَاء عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ»________________________________________
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যদি আমি আমার উম্মাতের পক্ষে কষ্টকর হবে বলে মনে না করতাম তা হলে আমি ইশার সালাত বিলম্বে আদায় করার এবং প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার জন্যে আদেশ করতাম।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৫৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দুটি বিষয় এসেছে: ইশার সালাত বিলম্বে আদায় এবং প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যদি তিনি উম্মতের পক্ষে কষ্টকর হবে মনে না করতেন, তাহলে ইশার সালাত বিলম্বে আদায় করার এবং প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। এখানে খুব সুন্দর একটি ভারসাম্য আছে। একদিকে ইশা দেরিতে আদায়ের গুরুত্ব বোঝা যায়। অন্যদিকে মিসওয়াকের গুরুত্বও বোঝা যায়। কিন্তু নবীজি উম্মতের ওপর কষ্ট চাপাতে চাননি। তাই এই হাদিস মুসলিম জীবনে পরিচ্ছন্নতা, সালাতের প্রস্তুতি এবং সহজতার শিক্ষা দেয়। তবে হাদিসে যে কথাগুলো এসেছে, ব্যাখ্যাও সেখানেই সীমিত রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিসওয়াক সালাতের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে এসেছে।
- ইশা বিলম্বে আদায়ের নির্দেশ কষ্টের কারণে বাধ্যতামূলক করা হয়নি।
- নবীজি উম্মতের সহজতার দিকে খেয়াল রাখতেন।
- সালাতের আগে পরিচ্ছন্নতা ও প্রস্তুতির গুরুত্ব আছে।
